Press "Enter" to skip to content

শতাধিক বাম প্রার্থীর জমানত বাজেয়াপ্ত, ঐশী-মীনাক্ষী-সৃজনরা মান ডোবালো সিপিএমের

শেয়ার করুন -

কলকাতাঃ বাংলা দখলের লক্ষ্য নিয়ে রাস্তায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বামেরা। সঙ্গী ছিল কংগ্রেস। এরপর সংখ্যালঘু ভোট এক করতে ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকীর সঙ্গেও জোট করেছিল তাঁরা। কিন্তু শেষ রক্ষা তো দূরের কথা, যেটুকু সম্মান ছিল সেটুকুও এবার চলে গেল। দীর্ঘদিন ধরে সিপিএমকে বুড়োদের পার্টি বলে কটাক্ষ করত বিরোধীরা। এবার সেই অপবাদ ঘোচাতে তরুণ তুর্কিদের সুযোগ দিয়েছিল আলিমুদ্দিন।

কিন্তু জয় পাওয়া তো দূরের কথা জমানত বাজেয়াপ্ত হল কয়েকশ সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থীর। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, কোনও কেন্দ্রের মোট ভোটের ১৬.৪ শতাংশ ভোট না পেলে সেই প্রার্থীর জমানত বাজেয়াপ্ত হবে। এর মানে হল, প্রার্থী কমিশনের কাছে যতটাকা জমা রেখেছে তা সম্পূর্ণ বাজেয়াপ্ত হবে। আর একুশের নির্বাচনে সংযুক্ত মোর্চা তথা সিপিএমের বহু তরুণ তুর্কিরা ১৬ শতাংশ ভোট অর্জন করতে পারেনি।

নন্দীগ্রামের সংযুক্ত মোর্চা সমর্থিত সিপিএম প্রার্থী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে জোর কদমে প্রচার চালিয়েছিল বামেরা। এমনকি নন্দীগ্রামে ভোট হয়ে যাওয়ার পর মীনাক্ষী কে রাজ্যের চারিদিকে প্রচারে পাঠানোর দাবি উঠতে থাকে। কিন্তু মীনাক্ষী নন্দীগ্রামে একেবারে মুখ থুবড়ে পড়েন। নন্দীগ্রামে দুই হেভিওয়েটের চাপে মীনাক্ষী পান মাত্র ৬ হাজারের কিছু বেশি ভোট।

এছাড়াও সিপিএমের সিঙ্গুরের প্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্য ১৪.৩ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। বামেদের গড় বলে পরিচিত জামুড়িয়া কেন্দ্রে ঐশী ঘোষ ১৪.৮৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। খড়দহের সিপিএম প্রার্থী দেবজ্যোতি দাস ১৪.৭০ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। এদের সবাইয়ের এবার জমানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এছাড়াও আরও সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী রয়েছেন যাদের এবার জমানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

তবে এবার মান বাঁচিয়েছেন প্রবীণ বাম নেতা অশোক ভট্টাচার্য, তিনি ১৬.১৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। কসবার সিপিএম প্রার্থী শতরূপ ঘোষ পেয়েছেন ১৭.৫৬ শতাংশ। যাদবপুরে সিপিএম-এর বর্ষীয়ান নেতা ২৭ শতাংশ ভোট পেয়ে মান বাঁচিয়েছেন। সিপিএমের তরুণ মুখ দীপ্সিতা ধর ১৭.৫১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।