Press "Enter" to skip to content

একশন মুডে যোগী সরকার! CAA নিয়ে উপদ্রব করায় আলীগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হলো তালা।

শেয়ার করুন -

CAA আইন নিয়ে বিতর্ক থামার নাম নিচ্ছে না, মুসলিম ছাত্ররা নানা বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎপাত শুরু করেছে। দিল্লীর জামিয়া ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে শুরু করে উত্তরপ্রদেশের আলীগড় ইউনিভারসিটিতে (Aligarh Muslim University) মুসলিম ছাত্ররা CAA এর বিরুদ্ধে আন্দোলনের নামে উপদ্রব চালিয়েছে। CAA বিলে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে আগত হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, খ্রিস্টানদের ভারতে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। কিন্তু মুসলিম ছাত্রদের দাবি পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আগত মুসলিমদেরও নাগরিকত্ব দিতে হবে। একইসাথে রোহিঙ্গা মুসলিমদেরও নাগরিকত্ব দেওয়ার দাবি তোলা হয়েছে।

দিল্লীর জামিয়া ইউনিভার্সিটিতে যে উপদ্রব চলছে তা দিল্লী পুলিশ কঠোরভাবে দমন করছে। অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশের আলীগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটিতে উৎপাত চলায় সেখানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। আলীগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটিকে (AMU) ৫ জানুয়ারি অবধি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সমস্ত পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। ছাত্রদের হিংসক প্রদর্শনকে দেখার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে আলীগড় ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের যোগী সরকারের পুলিশ বেধড়ক পিটিয়েছিল বলে অভিযোগ সামনে এসেছিল।

CAA এর বিরোধিতায় বাহানায় রাস্তায় আতঙ্কবাদীদের মতো উপদ্রব চলছিল, যা নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস ছুঁড়েছিল। যা নিয়ে AMU এর ছাত্ররা পুলিশের উপর ক্ষোভ ব্যাক্ত করেছে। আর এখন পরিস্থিতির দিকে খেয়াল রেখে ইউনিভার্সিটিতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুসলিম ছাত্ররা দাবি করেছে, CAB তে ধর্মের ভিত্তিতে ভেদাভেদ করা হচ্ছে। দাবি করা হয়েছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আগত মুসলিমদেরও ভারতে নাগরিকত্ব দেওয়ার হোক। CAB এর বিরোধিতা করে দেশের নানা প্রান্তে মুসলিম ছাত্ররা বিরোধ প্রদর্শন করছে।

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে থাকা লুঙ্গি বাহিনী সক্রিয় হয়ে রাজ্যজুড়ে ভাঙচুর চালিয়েছে। CAA এর বিরুদ্ধে প্রদর্শনকারী এই উপদ্রবীদের পাশে দাঁড়িয়েন বামপন্থী নেতা কানাইয়া কুমার। জেএনইউ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের প্রাক্তন সভাপতি কানহাইয়া কুমার বুধবার দিল্লীতে জামিয়া ইসলামিয়া ছাত্রদের সাথে সামিল হয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে এই বিক্ষোভ শুধুমাত্র মুসলমানদের বাঁচানোর লড়াই নয়, পুরো দেশকে রক্ষার লড়াই।