Press "Enter" to skip to content

বাংলাদেশে মন্দির ভাঙতে গিয়ে ধরা পড়ল ১২ জন মাদ্রাসা পড়ুয়া! পুলিশের হাতে তুলে দিল স্থানীয়রা

শেয়ার করুন -

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশ সফর থেকে হেফাজতে ইসলামের কট্টরপন্থীরা একেবারে অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে। একের পর এক রেল স্টেশনে আগুন লাগানো থেকে শুরু করে, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার মতো কার্যে জেহাদি বাহিনী মেতে উঠেছে। উস্কানি ছড়িয়ে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর আক্রমনের চেষ্টাও চলছে।

বাংলাদেশের লেখিকা তসলিমা নাসরিন বলেছেন, মাদ্রাসা নামক কারখানা থেকে তৈরি ইসলামি রোবটেরা দেশজুড়ে তান্ডব করছে। বাংলাদেশের মাদ্রাসাগুলিকে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন তসলিমা নাসরিন। লেখিকার এই মন্তব্য কতটা সত্য তা বাংলাদেশের এক তাজা ঘটনা থেকে জানা যাচ্ছে।

আসলে, বাংলাদেশের নেত্রকনা জেলায় এক কালি মন্দিরে হামলা চালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ১০ থেকে ১২ জন মাদ্রাসা পড়ুয়া ধরা পড়েছে। মন্দিরের কিছু ক্ষতি করার আগেই স্থানীয়রা তাদেরকে ধরে ফেলে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেন। মাদ্রসা পড়ুয়াদের হাতিয়ার করে কিছু কট্টরপন্থী কালি মন্দির ভাঙার চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

প্রসঙ্গত এর আগে, ব্রাক্ষণবাড়িয়া আনন্দময়ী কালি মন্দিরে হেফাজতে ইসলামের কট্টরপন্থীরা হামলা চালিয়েছে এবং ভাঙ্গচুর করেছে। একই সাথে খবর এও পাওয়া গেছে যে, ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। একই সাথে চট্টগ্রামে হিন্দুদের ৬ টি বাড়িকে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার কারণে হিন্দু পরিবারগুলিকে এখন আকাশের নীচে রাত কাটাতে হচ্ছে। কট্টরপন্থীরা অর্জুন শীল, সহদেব শীল, জয়দেব শীল, বাসুদেব শীল, শেফালী শীল ও নীলিমা শীলের বাড়ি পুড়িয়ে ছাই করে দিয়েছে।