Press "Enter" to skip to content

দেশে বৃদ্ধি হচ্ছে ক্যান্সার রোগের প্রকোপ! কলকাতায় অত্যাধুনিক হাসপাতাল গড়লো মোদী সরকার।

শেয়ার করুন -

ইংরেজরা আসার পর থেকে ভারতে দুটি জিনিসের বৃদ্ধি খুব দ্রুতগতিতে ঘটেছে। এক কৃষিকাজে রাসায়নিক সার ব্যাবহার দ্বিতীয়ত, খাদ্যে মাংসের বৃদ্ধি। আগে ভারতে চাষবাস শুধুমাত্র জৈব সার অর্থাৎ গোবর সার দিয়েই হতো। কিন্তু ইউরোপের দেশগুলি পরে তাদের রাসায়নিক সার নিয়ে ভারতের বাজারে ঢুকে পড়ে। যারপর থেকে ভারতে ক্যান্সারের প্রকোপ তীব্রগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। অভিনয় জগৎ ও খেলা জগতের মানুষজক নিজেদের ফিট রাখার জন্য খাদ্যের বিষয়ে খুব সচেতন থাকে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভারতের বলিউড থেকে শুরু করে খেলার জগৎ সর্বত্র ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়েছে। এর একমাত্র কারণ মাংসকেই ধরা হচ্ছে। এ কারণে বহু অভিনেতা ও খেলোয়াড় এখন শাকাহারী খাদ্যের দিকে ঝুকে পড়েছে।

উদাহরণস্বরূপ ভারতের ক্রিকেট টিমের ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli) তবে ক্যান্সার নিয়ে প্রচার কম হওয়ায় ভারতে দারুনভাবে এই মরণব্যাধি ছড়িয়ে পড়ছে।
কিছু চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ দাবি করেছেন, এইভাবে চললে ভারতের প্রতি ঘরে একটা করে ক্যান্সার রুগী ছড়িয়ে পড়তে সময় নেবে না। যার জন্য বর্তমানে ভারতে প্রচুর সংখ্যায় ক্যান্সার হাসপাতালের প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে। যদিও হাসপাতালে এই রোগের নিরাময় করাও দুঃসাধ্য ব্যাপার। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে, রোগীর খুব ভালোভাবে যত্ন নিয়েও রোগীকে বাঁচানো বেশিরভাগ সময় অসম্ভব হয়।

এমনকি ক্যান্সার রোগের যত খরচ হয় তাতে লাভবান বিদেশী ওষুধ তৈরিকারী সংস্থাগুলি হয়। বিশেষ করে ইউরোপ, আমেরিকা এই রোগের কারণে লাভবান হয়। ভারতে ক্যান্সার রোগীর বৃদ্ধি পাওয়া সংখ্যা দেখে কেন্দ্র সরকার বেশকিছু উন্নতমানের ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় একটা  ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে। অত্যাধুনিক চিকিৎসাব্যাবস্থা থেকে শুরু করে উন্নত পরিষেবা প্রদান করবে ক্যান্সার হাসপাতালটি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের অধীনে থাকা হাসপাতালটিতে নিউক্লিয়ার মেডিসিনের সুযোগ সুবিধাও থাকবে।

এমনকি খুব কম খরচে এই রোগ নিরাময়ের চেষ্টা করবে এই হাসপাতালটি।
কলকাতার নিউটাউন এলাকায় ক্যান্সার হাসপাতালটি গড়ে তুলেছে বলে জানা যাচ্ছে।ফলস্বরূপ হাসপাতালটি পুর্ব ও উত্তরপূর্ব ভারতের জন্য একটা বড়ো ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র হয়ে দাঁড়াবে। মোদী সরকার কম খরচে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার যে লক্ষ নিয়েছে তার মধ্যে এই হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পটি অন্যতম বলে মনে করা হচ্ছে। ফেব্রুয়ারি মাস নাগাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হাসপাতাল উদ্বোধন করবেন বলেও খবর শোনা যাচ্ছে।