নতুন খবরপশ্চিমবঙ্গ

বাঁকুড়ায় মুখ্যমন্ত্রীর সভায় মাঠ ফাঁকা! ছবি পোস্ট করে তৃণমূলকে কটাক্ষ বিজেপির

কলকাতাঃ নির্বাচনী প্রচারে কে কত লোক জড়ো করতে পারে সেটা সবসময়ই Key Factor হয়ে থাকে। যার জনসভা, রোড শো, পদ যাত্রায় যত বেশি লোক, তাঁর গুরুত্ব তত বেশি আর জন সমর্থনও বেশি। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নিজেদের জনসভায় কত লোক হচ্ছে সেটার থেকে বেশি, বিরোধী দলের জনসভায় কত মানুষ হচ্ছে সেটা দেখানোর ট্রেন্ড চলছে। আর সেই সুত্রে গতকাল ঝাড়গ্রামে অমিত শাহের সভার ফাঁকা ছবি দেখিয়ে কটাক্ষ করেছিল তৃণমূল।

উল্লেখ্য, গতকাল ঝাড়গ্রামে সভা করার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের। কিন্তু কপ্টারে যান্ত্রিক ত্রুটি থাকার ফলে ওনার ঝাড়গ্রামে যাওয়া হয়নি। ঝাড়গ্রামে সভায় যেতে না পারলেও তিনি ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সেই সভাকে সম্বোধিত করেছিলেন। এবং ঝাড়গ্রামের মানুষকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, তিনি খুব শীঘ্রই ঝাড়গ্রামে যাবেন।

গতকাল অমিত শাহের ঝাড়গ্রামের সভা বাতিল হওয়ার পর তৃণমূলের তরফ থেকে তুমুল কটাক্ষ করা হয়। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দুজনেই অমিত শাহের সভা বাতিল নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন যে, সভায় লোক জোটাতে না পারায় অমিত শাহ ঝাড়গ্রাম মুখো হননি। আর ওনাদের কথা সত্য প্রমাণিত করতে তৃণমূলের তরফ থেকে ঝাড়গ্রামের অমিত শাহের সভা নিয়ে কয়েকটি ছবিও পোস্ট করা হয়। সেই ছবি গুলোতে ফাঁকা চেয়ার দেখা যায়। যদিও, ওই ছবি কোন সভার, আর কবেকার সেটার সঠিক তথ্য আমাদের জানা নেই।

আরেকদিকে, অমিত শাহ নিজের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে গতকালের ঝাড়গ্রাম সভা নিয়ে বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছিলেন। সেখানে জনসমাগম বেশ ভালোই দেখা গিয়েছিল। ভার্চুয়ালি অমিত শাহের বক্তৃতা শোনার জন্যও বেশ ভিড় ছিল সেখানে।

আরেদকিকে, আজ পুরুলিয়ার বলরামপুরে যোগী আদিত্যনাথের সভাতে মানুষ হয়নি বলে দাবি করেছে তৃণমূল। আর সেই দাবি সত্য প্রমাণিত করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু ছবিও ছড়ানো হচ্ছে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের দ্বারা। এবার তৃণমূলকে পাল্টা দিতে ছবি-ওয়ারে নামল বিজেপিও।

বিজেপির ফেসবুক এবং টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে বেশ কয়েকটি ছবি ছাড়া হয়েছে। যেখানে দাবি করা হয়েছে যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঁকুড়ার শালতোড়া সভায় জনসমাগম হয়নি। বিজেপির ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ছবিগুলো পোস্ট করে লেখা হয়েছে, ‘বাঁকুড়ার শালতোড়ায় মুখ্যমন্ত্রীর সভার কিছুসময় আগে মাঠ ফাঁকা। বাংলা আর তৃণমূলকে চায়না!” যদিও আমাদের পক্ষ থেকে বিজেপির এই দাবির সত্যতা প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি।

Related Articles

Back to top button