নতুন খবরপশ্চিমবঙ্গ

হায়দ্রাবাদ এনকাউন্টারের তীব্র প্রতিবাদ জানালেন বিজেপির নেতা চন্দ্র কুমার বোস!

দশ দিন আগে তেলেঙ্গানার হায়দ্রাবাদে () মহিলা পশু চিকিৎসক ডঃ রেড্ডিকে ধর্ষণের () পর নৃশংস ভাবে হত্যা করে মোহম্মদ আরিফ আর তাঁর তিন সঙ্গীরা। প্রমাণ লোপাটের জন্য ডঃ রেড্ডিকে জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেয় ধর্ষকেরা। এই ঘটনার পর গোটা দেশ উত্তাল হয়। দোষীদের কড়া শাস্তির দাবিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলে জোর প্রতিবাদ। এমনকি সংসদেও এই নৃশংসতা নিয়ে সরব হন সাংসদেরা। সমাজবাদী পার্টির সাংসদ জয়া বচ্চন দোষীদের ভিড়ের হাতে তুলে দিয়ে তাঁদের পিটিয়ে মারার নিদান দেন। এছাড়াও সব দলের সাংসদেরা দোষীদের কড়া শাস্তির জন্য মুখর হন। এরপর কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কড়া আইন আনার প্রতিশ্রুতি দেন, এবং সবাইকে ওই আইনে সহমত হওয়ার জন্য আবেদন করেন।

পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্তে নেমে দোষীদের কড়া শাস্তির জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছিল। আর এরই মধ্যে আজ কাকভোরে পুলিশের এনকাউন্টারে খতম হয় ডঃ রেড্ডি কাণ্ডের চার দোষী। কাকভোরে ঘুম থেকে উঠিয়ে ঘটনাস্থলে চার দোষীকে ক্রাইম সিন রিক্রিয়েট করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আর সেখানে দোষীরা পুলিশের হাতিয়ার ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা চালাচ্ছিল। আর তখন পুলিশ গুলি চালিয়ে তাঁদের খতম করে।

এই ঘটনার পর গোটা দেশেই হায়দ্রাবাদ পুলিশের প্রশংসা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় হায়দ্রাবাদ পুলিশ কমিশনার সজ্জনার এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছে সবাই। নির্ভয়ার মা-ও হায়দ্রাবাদের পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। আরেকদিকে ডঃ রেড্ডির বাবা এই ঘটনার পর বলেছেন, এবার আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পেলো। কিন্তু অনেকেই আবার এই ঘটনার নিন্দা করেছেন। অনেকেই বলছেন হায়দ্রাবাদ পুলিশ চরম অমানবিকতার কাজ করেছে।

বিজেপির নেতা চন্দ্র কুমার বসু হায়দ্রাবাদ পুলিশের এই কাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন। উনি লিখেছেন, ‘পুলিশ কিভাবে এরকম কাজ করতে পারল?” উনি লিখেছেন, দোষীদের শাস্তি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হওয়া উচিৎ, কিন্তু পুলিশ তাঁর আগেই শাস্তি দিয়ে দিলো। উনি আরও বলেছেন, এখনো পর্যন্ত কাউকে দোষী প্রমাণিত করা হয়নি, তাঁর আগে কি করে পুলিশ এই কাজ করতে পারল? চন্দ্র কুমার বসুর ফেসবুকে এই পোস্ট করা হয়েছে। আর এই পোস্টের পর বিজেপি কর্মীরাই ওনার বিরোধিতা করা শুরু করেছে।

Back to top button
Close