Press "Enter" to skip to content

ভারত গোটা বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম, চাপে পড়ে সুর নরম করে বলল চীন

শেয়ার করুন -

নয়া দিল্লীঃ চীনের (China) বিদেশ মন্ত্রালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, ভারতকে (India) চীন বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা দেশ হিসেবে মানে। ভারত স্বাধীন কূটনৈতিক নীতি গ্রহণে সক্ষম। ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, ভারত আঞ্চলিক শান্তি কায়েম করার জন্য বৈশ্বিক মামলায় চূড়ান্ত ভূমিকা পালন করতে সক্ষম। ওয়াং ওয়েনবিনের এই বয়ান ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সেই বয়ানের পর আসে, যেখানে তিনি বলেছিলেন যে, ভারত কখনো জোট ব্যবস্থার অংশ হবে না।

ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সোমবার একটি ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বলেন, জোট ব্যবস্থা এখন পুরনো সিস্টেম হয়ে গেছে। কিন্তু ভারত কখনো জোট ব্যবস্থার অংশ হবে না। চীনের সংবাদমাধ্যমে গ্লোবাল টাইমস এই খবর ছেপেছে। জয়শঙ্কর এটাও জোর দিয়েছে বলেছে যে, বহুপক্ষীয়তার উপর সতর্কতা ও নির্ভরতার যুগ শেষ, এবার দেশ গুলোকে জোট ব্যবস্থার পক্ষে বলার জন্য অধিক ঝুঁকি নিতে হবে।

আরেকদিকে রিপোর্টে জানা গেছে যে, চীন এখনো লাদাখ (Ladakh) বর্ডারের আশেপাশে তাঁদের সেনা মোতায়েন করে রেখেছে, আর সেখান থেকে যাওয়ার নাম নিচ্ছে না। প্রায় আড়াই মাসের বেশি ধরে চীনের সাথে ভারতের এই উত্তেজনা চলছে। মেজর জেনারেল স্তরের ডজন খানেক বৈঠক হয়েছে, কম্যান্ডার স্তরের চারটি বৈঠক হয়েছে, তবুও চীন সীমান্ত থেকে খুব একটা পিছু হটার নাম নিচ্ছে না। চীন এখনো ভারতীয় সীমান্তের আশেপাশেই আছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, লাদাখ সীমান্তে এখনো ৪০ হাজার চীনের জওয়ান আছে।

File Pic

১৪ই জুলাই ভারত আর চীনের মধ্যে কম্যান্ডার স্তরের চতুর্থ বৈঠক হয়েছিল, আর সেই বৈঠকে দ্বিতীয় পর্যায়ের সেনা হটানর প্রস্তাবে রাজি হয়েছিল দুই দেশই। কিন্তু বৈঠকের পরেও চীন দ্বিতীয় পর্যায়ে এক ইঞ্চিও সেনা হটায় নি। প্রথম পর্যায়ে গালওয়ান হট স্প্রিং গোগরা থেকে ১ থেকে ২ কিমি পর্যন্ত চীন আর ভারতীয় সেনা পিছু হটেছিল। শুধু তাই নয়, বছরের পর বছর ধরে বিতর্কের প্রধান কারণ হয়ে থাকা প্যাংইয়াং লেক থেকেও চীনের সেনা পিছু হটেছিল। কিন্তু এরপর তাঁরা আর পিছু হটেনি।

গত সপ্তাহে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং লেহ-এর সফরে নিজের বয়ানে বলেছিলেন যে, চীন এত সহজেই যাবে না। রাজনাথ সিং বলেছিলেন যে, চীনের সাথে যা কথাবার্তা হয়েছে সেটার পর সমস্যার সমাধান হওয়ার দরকার, কিন্তু কত পর্যন্ত সমস্যা মিটবে সেটা বলা যাচ্ছে না। আমরা যেকোন পরিস্থিতির সন্মুখিন হওয়ার জন্য প্রস্তুত। দুই দেশের কম্যান্ডার স্তরের কথাবার্তা হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু দ্বিতীয় দফায় সেনা না হটায় এই কথাবার্তা হওয়ার আশা অনেক কম।