Press "Enter" to skip to content

ভিডিওঃ চীনের রাজদূত হৌ ইয়াঙ্কির বিরোধিতায় নেপালের ছাত্র সংগঠন, বলল- ‘চীন ফেরত যাও”

শেয়ার করুন -

কাঠমান্ডুঃ নেপালের (Nepal) রাজনীতিতে চীনের রাজদূত হৌ ইয়াঙ্কির (Hou Yanqi) হস্তক্ষেপ নিয়ে নেপালিরা বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেছে। নেপালি প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির (KP Sharma Oli) পদ বাঁচাতে চীনের রাজদূত হৌ ইয়াঙ্কি (Hou Yanqi) লাগাতার নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করে চলেছেন। নেপালের মিডিয়া রিপর্ট অনুযায়ী, ইয়াঙ্কি নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদ বাঁচাতে দলের মধ্যে বিরোধী নেতাদের প্রসন্ন করার জন্য যারপরনাই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নেপালে এবার এই নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

মঙ্গলবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে চীনের দূতাবাসের সামনে নেপালের ছাত্র-ছাত্রীরা চীন বিরোধী পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। নেপালি ছাত্র-ছাত্রীরা চীনের রাজদূতের বিরুদ্ধে নেপালের রাজনীতিতে নাক গলানোর বিরোধিতা করে মিছিল করে। তাদের ব্যানারে ‘চীন হটাও”, ‘চীনের রাজদূত আপনি নিজের দূতাবাসের মধ্যেই থাকুন, আমাদের নেতাদের বাড়ি যাবেন না।” এর মতো স্লোগান লেখা ছিল। নেপালি মিডিয়ায় চীনের রাজদূতের নেপালের রাজনীতিতে নাক গলানো নিয়ে কড়া সমালোচনা হচ্ছে।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির থেকে দলের নেতারাই পদত্যাগের দাবি করছেন। ওলির বিরুদ্ধে দলের বরিষ্ঠ নেতা তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পুস্প কমল দহল প্রচণ্ড কোমর বেঁধে নেমেছেন। নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির ৪৪ সদস্যের স্ট্যান্ডিং কমিটির ৩০ জনই ওলির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ওনার পদত্যাগের দাবি করেছেন। নেপালের রাজনীতিতে যখন এরকম চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তখন নেপালের রাজনীতিতে চীনের নাক গলানো নিয়ে প্রশ তো উঠবেই।

চীনের রাজদূত বিগত কয়েকদিন ধরে নেপালি কমিউনিস্ট পার্টির নেতা এবং বড়বড় সরকারি আমলাদে সাথে সাক্ষাৎ করে চলেছেন। গত সপ্তাহে ইয়াঙ্কি নেপালের রাষ্ট্রপতি এবং নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির বরিষ্ঠ নেতা মাধব কুমার নেপালের সাথে সাক্ষাৎ করে। এমনকি চীনের রাজদূত যে নেপালের রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করছেন, সেটা নিয়ে বিদেশ মন্ত্রালয়কেও জানানো হয়নি। আর এরপরে নেপালিদের মধ্যে আরও বেশি ক্ষোভ বাড়ছে।

বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, চীনের রাজদূত ইয়াঙ্কি কেপি শর্মা ওলিকে সামনে দাঁড় করিয়ে ভারত বিরোধী অভিযান চালাচ্ছে। আর সেই সুত্রেই নেপাল তাদের নতুন মানচিত্র প্রকাশ করে ভারতের তিনটি জায়গাকে নিজের বলে দাবি করে। আর নেপালি প্রধানমন্ত্রীর এই ভারত বিরোধী কাজের জন্যই ওনাকে পদত্যাগ করার জন্য চাপ দিচ্ছে দলের নেতারা।