Press "Enter" to skip to content

ফের ঝটকা কংগ্রেসে! রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে CAA নিয়ে অভিযোগ জানাতে যাবেনা শিবসেনা

শেয়ার করুন -

নাগরিকতা সংশোধন আইন (Citizenship Amendment Act) নিয়ে বিরোধীরা লাগাতার মোদী সরকারের (Modi Sarkar) উপর হামলা করে চলেছে। বিরোধীদের দাবি অনুযায়ী, এই আইন সাম্প্রদায়িক আর মোদী সরকারকে এই আইন তুলে নিতেই হবে। দেশের অনেক রাজ্যেই এই আইনের বিরোধিতায় হিংসা ছড়িয়েছে। আর সেই রাজ্য গুলোর মধ্যে সবার উপরে পশ্চিমবঙ্গের নাম। গতকাল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী (Mamata Banerjee) নাগরিকতা সংশোধন আইনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান। আর সেখান থেকে ঘোষণা করেন যে, যারা রাস্তায় নেমে এই আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছে তাঁরা যেন প্রতিবাদ চালিয়ে যায়।

আরেকদিকে, আজকে বিজেপি বিরোধী দল গুলো এক হয়ে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের (Ram Nath Kovind) সাথে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছে। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অবগত করানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। যদিও বিরোধীদের এই প্রতিনিধি মণ্ডলে নাম নেই শিবসেনার। লোকসভায় নাগরিকতা সংশোধন বিলকে সমর্থন করেছিল শিবসেনা (Shiv Sena)। আরেকদিকে রাজ্য সভায় ভোটিং প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই ওয়াক আউট করে শিবসেনা। আর এরপর শিবসেনা প্রতিনিধি মণ্ডল থেকে নিজেদের দূরে রাখায় অনেক প্রশ্ন জাগছে।

নাগরিকতা সংশোধন আইন নিয়ে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সাথে আজ বিরোধী দলের প্রধান নেতারা সাক্ষাৎ করবেন। এই আইনের বিরুদ্ধে দিল্লীতে রবিবার জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা হিংসাত্মক প্রদর্শন করে। এই প্রদর্শনে সরকারি বাহনে আগু ধরিয়ে দেওয়া হয় আর পুলিশ এবং মিডিয়ার উপর আক্রমণ করা হয়, এরপর পুলিশ ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে। বিরোধী দলের প্রতিনিধি মণ্ডলে নিজের দল না থাকার প্রশ্নে শিবসেনার নেতা সঞ্জয় রাউত বলেন, আমি এই ব্যাপারে কিছু জানিনা।

উনি বলেন, ‘আমি এই ব্যাপারে কিছু জানিনা। শিবসেনা এই প্রতিনিধি মণ্ডলের অংশ না।” আরেকদিকে যখন ওনাকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, মহারাষ্ট্রে নাগরিকতা আইন লাগু করা হবে কি না? তখন উনি বলেন, ‘আমাদের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে এই বিষয়ে ক্যাবিনেট মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।”