Press "Enter" to skip to content

সংসদে নাগরিকত্ব সংশোধন বিল পেশ করবে মোদী সরকার! তীব্র বিরোধিতায় নামলো তৃণমূল কংগ্রেস।

শেয়ার করুন -

ধারা ৩৭০ অপসারণের পরে মোদী সরকার এখন এই জাতীয় আরও একটি সাহসী পদক্ষেপ নিতে চলেছে। এসপিজি বিলের পরে সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল সংসদে প্রবর্তন করতে চলেছে, যা হৈচৈ সৃষ্টি করতে পারে কারণ বিরোধীরা ধারাবাহিকভাবে এর বিরোধিতা করে চলেছে। বলা হচ্ছে বিলটি আজ অথবা ৯ তারিখ সংসদে পেশ করা হবে। বিলের বিরোধিতাকারী দলগুলি এটিকে সংবিধানের চেতনার পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছে। বিরোধীদের দাবি, নাগরিকদের মধ্যে তাদের ধর্ম বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে বৈষম্য করা উচিত নয়।

কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস (All India Trinamool Congress), ডিএমকে, সমাজবাদী পার্টি এবং বামের মতো দলগুলি এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করছে এবং বিজেডি কিছুটা আপত্তিও প্রকাশ করেছে। এর পরেও, লোকসভায় এই বিলটি পাস করার জন্য বিজেপির পর্যাপ্ত সংখ্যা রয়েছে। শুধু তাই নয়, অকালি দল ও জেডিউর মতো মিত্ররাও বিজেপিকে রাজ্যসভায় সাথ দিতে পারে। নাগরিক সংশোধনী বিলের আওতায় ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন পরিবর্তন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আওতায় পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ভারতে বসবাসকারী হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি এবং খ্রিস্টান শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

এই সকল ধর্মের লোকজনকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে যারা ১ বছর থেকে ৬ বছর অবধি ভারতে এসেছে থেকেছে। আগে এই নাগরিকত্ব এর জন্য ভারতে ১১বছর বছর সময়সীমা রয়েছে। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, ইসলাম ধর্মের লোকজনকে লিস্ট থেকে বের করা হয়েছে কেন এই নিয়ে বিরোধীরা উত্তেজনা তৈরি করেছে। আসলে ইসলামের নামে আগে থেকেই পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ রয়েছে। সেক্ষেত্রে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা ইসলামধর্মলম্বী মানুষজনকে ভারত নাগরিকত্ব দেবে না।

তবে অবৈধ বাংলাদেশিদের সংখ্যা ভারতের বাংলাদেশ সীমান্ত রাজ্যগুলিতে অনেক হওয়ায় নানা পার্টি এই ইস্যুতে অনেক রাজনীতি শুরু হয়েছে। বেশকিছু রাজনৈতিক দল এই অবৈধ বাংলাদেশিদের নিজের ভোট ব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যাবহার করতে চাই। যার ফলসরুপ নাগরিকত্ব বিল নিয়ে রাজনীতি চরম পর্যায়ে রয়েছে।