নতুন খবরভারতবর্ষ

“হিজাব পরা মহিলাদের মৌলিক অধিকার”- কলেজে হিজাব পরা নিয়ে মত কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়ার

কর্ণাটকের উদুপি জেলার পিইউ কলেজে হিজাব পরার জন্য মুসলিম মেয়েদের বিক্ষোভের পর, এখন রাজ্যের আরও অনেক কলেজে একই রকম ঝামেলা শুরু হয়েছে।বলা হচ্ছে, হিজাব পরা বন্ধ মানে সংখ্যালঘু মহিলাদের স্বাধীনতা খর্ব করা। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়াও কলেজগুলিতে মুসলিম ছাত্রীদের হিজাব পরাকে সমর্থন করেছেন। তিনি হিজাবকে মুসলমানদের মৌলিক অধিকার বলে অভিহিত করেছেন।

সিদ্দারামাইয়া বলেন, মুসলিম মেয়েরা শুরু থেকেই হিজাব পরে আসছে। এটা তাদের মৌলিক অধিকার। তারা আগে যখনই স্কুল বা কলেজে যেতেন তখন কি জাফরান শাল পরে এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাই সরকারের উচিত অবস্থান নেওয়া। এর আগে মুসলিম ছাত্রীরাও হিজাবকে মৌলিক অধিকার বলেছিল।

কংগ্রেস নেতা বিজেপির বিরুদ্ধে বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করার অভিযোগ তুলে বলেন, এক মাস ধরে এসব চলছে। সিদ্দারামাইয়া বলেন তিনি বিশ্বাস করেন যে এমন কোনও ইউনিফর্ম নেই যা একজন ছাত্রকে লেপে থাকা উচিত। যখন এটা ঘটেছিল তখন কেন কিছু বিজেপি লোক জাফরান শাল পরতে শুরু করেছিল। তারা বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করতে চান। কলেজের এই ঘটনাটি 2 শে জানুয়ারী প্রথম সামনে আসে। যখন 6 জন মুসলিম ছাত্রী শ্রেণীকক্ষের ভিতরে হিজাব পরে ঢুকেছিলো। কলেজের অধ্যক্ষ রুদ্র গৌড়া বলেছিলেন যে মেয়ে ছাত্রীরা কলেজ প্রাঙ্গণে হিজাব পরতে পারে, তবে ক্লাসরুমে এটি অনুমোদিত নয়।

অধ্যক্ষের মতে, শ্রেণিকক্ষে অভিন্নতা বজায় রাখতে এটি করা হয়েছে। একই ধারাবাহিকতায়, কলেজের বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন এক মুসলিম ছাত্র এরই মধ্যে উদুপির কুন্দাপুর সরকারি কলেজের 100 জনেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রীও কাঁধে জাফরান তোয়ালে নিয়ে কলেজে পৌঁছেছিল ইসলামিকরণের প্রতীক হিজাবের প্রতিবাদে। তাদের একটাই দাবি ছিল দেশের সমস্ত মানুষের জন্য নিয়ম সমান মৌলবাদের দোহাই দিয়ে দেশে এইরকম নিয়ম চলবে না।

Related Articles

Back to top button