Press "Enter" to skip to content

হাওয়াই চপ্পল, টি-শার্ট আর ফুল প্যান্ট পরে সমুদ্রে নামলেন রাহুল গান্ধী! কিছু হলেই দোষ হত মোদীর

শেয়ার করুন -

কোল্লামঃ আর কয়েকমাসের মধ্যে কেরলে বিধানসভার নির্বাচন হবে। সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের জয় সুনিশ্চিত করতে প্রচার অভিযান চালাচ্ছে। আর সেই ক্রমে কেরলের ওয়ানাড থেকে সাংসদ তথা প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী বুধবার কেরল সফরে যান। সেখানে গিয়ে তিনি কোল্লমে একটি জনসভা করেন। এরপর তিনি মৎস্যজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের দুঃখ কষ্টের কথা শোনেন।

মৎস্যজীবীরা কীভাবে কাজ করেন, সেটা দেখার জন্য তিনি একটি নৌকা করে সমুদ্রে যান। এরপর তিনি মৎস্যজীবীদের সঙ্গে সমুদ্রে জালও ফেলেন। আর মৎস্যজীবীদের সমুদ্রের জলে দেখে নিজেকে আটকাতে না পেরে রাহুল গান্ধী টিশার্ট, প্যান্ট আর জুতো পরেই সমুদ্রে ঝাঁপ দেন। মৎস্যজীবীদের সঙ্গে প্রায় ১০ মিনিট তিনি জলে ছিলেন।

কংগ্রেসের এক নেতা বলেন, আমাদের কিছু না বলেই রাহুল গান্ধী জলে নেমে যান। আমরা ওনাকে জলে দেখে অবাক হয়ে যাই এমনকি আতঙ্কিতও হয়ে যাই। কিন্তু তিনি জলে খুব স্বাছন্দেই ছিলেন। তিনি ১০ মিনিট জলে ছিলেন। উনি এটা প্রমাণ করলেন যে, তিনি এখন ভালো সাঁতারু।

নৌকায় ২৩ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। রাহুল গান্ধীর সঙ্গে অখিল ভারতীয় কংগ্রেস সমিতির মহাসচিব কেসি বেণুগোপাল আর টিএন প্রতাপন সমেত কংগ্রেসের অন্য নেতারা ছিলেন। মৎস্যজীবীরা রাহুল গান্ধীকে রুটি আর মাছের তরকারি খাওয়ায়। রাহুল গান্ধীর জন্য খাবার নৌকার মধ্যে বানানো হয়েছিল। রাহুল গান্ধী নৌকা করে প্রায় আড়াই ঘণ্টা সমুদ্রে ছিলেন।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে এরকম ড্রেস পরে সমুদ্রে নামা উচিৎ হয়নি রাহুল গান্ধীর। মৎস্যজীবীরা খালিগায়ে নেমেছিলেন, ওনার উচিৎ ছিল অন্ত্যত সুইম ড্রেসে নামা। জল কাউকে চেনেনা। এরকম পোশাকে জলে বিপত্তি ঘটার সম্ভাবনা অনেক বেশি। আর কিছু হয়ে গেলে দায় হত কার? এর আগে রাহুল গান্ধীর বক্তৃতা দেওয়ার সময় মাইক বন্ধ হয়ে যাওয়ার দায় গিয়েছিল নরেন্দ্র মোদীর ঘাড়ে। রাহুল গান্ধীর হেলিকপ্টারে টেকনিক্যাল প্রবলেমের দায়ও পড়েছিল নরেন্দ্র মোদীর উপর। তাহলে এবার সমুদ্রের দায়ও নরেন্দ্র মোদীর উপরেই পড়ত।