Press "Enter" to skip to content

আজাদী চেয়ে উৎপাত করছিল কট্টরপন্থীরা, দিল্লী পুলিশ করলো বেধড়ক লাঠিচার্জ।

শেয়ার করুন -

CAB বিল পাস হয়ে CAA তে পরিণত হওয়ার পর থেকে দেশের কট্টরপন্থীরা ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি করতে রাস্তায় নামছে। পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) বহু বাস, ট্রেন, রেল স্টেশন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে। অন্যদিকে দিল্লীতেও (Delhi) এমন চেষ্টায় নেমে ছিল কট্টরপন্থীরা। এক বিশাল ভিড় দিল্লীর রাস্তায় আজাদী চেয়ে মিছিলে নেমে ছিল। যারা মূলত বাসে আগুন লাগানো, পাথরবাজি করার মতো ঘটনাগুলিকে নেতৃত্ব দিচ্ছিল। এর মধ্যে দিল্লী পুলিশ (Delhi police) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপকহারে লাঠিচার্জ করে এবং ভিড়কে ছত্রভঙ্গ করে।

জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার ছাত্ররাও CAB বিল নিয়ে বিরোধিতা করতে নেমে ছিল, পুলিশ ওই ছাত্রদেরও কড়া হাতে দমন করে। আসল জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার ছাত্ররা প্রতিবাদের নামে দিল্লীতে অশান্তি ছড়ানোর কাজ করছিল। যার জন্য পুলিশ একশন নিতে বাধ্য হয়। কট্টরপন্থীরা বিরোধ প্রদর্শনের নামে বহু জায়গায় আতঙ্কবাদীদের মতো আচরণ করেছে। বেশকিছু জায়গায় এম্বুলেন্সে আটকে, গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। জামিয়া নগরে দুর্বৃত্তরা ৩ টি ডিটিসি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। চালক এবং অন্যান্য কর্মীরা তাদের জীবন বাঁচাতে দৌড়ে পালায়।

অনেকের দাবি, নিজের ঘরে (দেশ) কেউ কখনো আগুন লাগায় না, এরা সকলেই রোহিঙ্গা বা অবৈধ বাংলাদেশি। পশ্চিমবঙ্গেও যেভাবে উৎপাত হয়েছে তা বিরোধ প্রদর্শনকারীদের পরিচয় নিয়ে প্রশ্নঃ তুলেছে। বিজেপি নেতারা উৎপাতকারীদের বাংলাদেশি লুঙ্গি বাহিনী বলেই ইঙ্গিত করেছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও এক সভা থেকে দাঙ্গাবাজদের উদেশ্য করে কড়া মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন যারা দেশে দাঙ্গা, উৎপাত চালাচ্ছে তাদের পোশাক দেখেই বোঝা যাচ্ছে তারা কারা, জানিয়ে দি দিল্লীতে ও উত্তর প্রদেশে কট্টরপন্থীদের কড়া হাতে দমন করা হচ্ছে। দিল্লীর পুলিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও উত্তরপ্রদেশের পুলিশ যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে একশন মুডে রয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে পুলিশের সক্রিয়তা তেমন চোখে পড়ছে না। অভিযোগ উঠেছে যে, মমতা ব্যানার্জী তার ভোট ব্যাংকের জন্য পুলিশের হাত বেঁধে রেখেছে।