টাকা পয়সানতুন খবরব্যবসাভারতবর্ষ

প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় নিশ্চিত, মাত্র ১০ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করুন এই ব্যবসা

নয়া দিল্লিঃ আপনি কি একটি ব্যবসার শুরুর কথা ভাবছেন? তাহলে আজ আমরা আপনাকে এমন একটি বিজনেস আইডিয়া দিচ্ছি, যেখান থেকে আপনার আয় অবিলম্বে শুরু হবে। আপনি এই ব্যবসাটি ১০০০০-১৫০০০ টাকায় শুরু করতে পারেন এবং আপনি সহজেই মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এখানে বর্জ্য পদার্থ অর্থাৎ পুনর্ব্যবহারযোগ্য পদার্থ ব্যবসায়িক কাজে লাগানোর সম্পর্কে বলা হচ্ছে। অর্থাৎ ঘরে বসেই শুরু করতে পারেন বর্জ্য পদার্থের ব্যবসা।

জানিয়ে রাখা ভালো যে এই ব্যবসার বর্তমানে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। অনেকেই এখান থেকে ভালো আয় করেছেন, আসুন এই ব্যবসা সম্পর্কে বিশদে জেনে নিন। অনেকেই জানেন না যে এই ব্যবসার পরিধি কতটা বিশাল। প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী ২ বিলিয়ন টনেরও বেশি বর্জ্য পদার্থ উৎপন্ন হয়। আর, আমরা যদি ভারতের কথা বলি, তাহলে সেখানে ২৭৭ মিলিয়ন টনের বেশি আবর্জনা তৈরি হয়। তবে সবচেয়ে কঠিন কাজ হল বিপুল পরিমাণ বর্জ্যর ব্যবস্থাপনা করা। বর্তমান পৃথিবীতে এখন বর্জ্য পদার্থ থেকে ঘর সাজানোর জিনিসপত্র, গহনা, ছবি আঁকার মতো জিনিস তৈরি করে মানুষ এই বড় সমস্যাটিকে ব্যবসায় রূপান্তরিত করেছে। এ ব্যবসা থেকে মানুষ লাখ লাখ টাকাও আয় করছে।

এই ব্যবসা শুরু করার জন্য, প্রথমে আপনাকে আপনার এবং আপনার বাড়ির আশেপাশের বর্জ্য জিনিসপত্র সংগ্রহ করতে হবে। আপনি চাইলে মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন থেকেও বর্জ্য নিতে পারেন। অনেকই আজকাল বর্জ্য উপাদান দানও করে থাকে। সেইরকম বাড়ির খোঁজ নিয়ে সেখান থেকেও কেনাকাটা করতে পারবেন। এর পরে, সেই আবর্জনাটি ভালভাবে পরিষ্কার করতে হবে। তারপর বিভিন্ন আইটেমের ডিজাইন ও কালারিং করতে হবে। এরপরে এই জিনিসগুলি থেকে আপনি নানান আইটেম বানাতে পারেন. উদাহরণস্বরূপ, একটি বসার চেয়ার, ব্যবহৃত টায়ার থেকে তৈরি করা যেতে পারে। Amazon-এ এরকম দ্রব্যের দাম প্রায় ৭০০ টাকা। এছাড়া কাপ, কাঠের কারুকাজ, কেটলি, কাচ ইত্যাদি দিয়েও ঘর সাজানোর সামগ্রী তৈরি করা যায়। সবার শেষে গিয়ে শুরু করতে হয় মার্কেটিংসংক্রান্ত কাজ। আপনি এটি ই-কমার্স সংস্থা অ্যামাজন এবং ফ্লিপকার্টে বিক্রি করতে পারেন। আপনি এটি অনলাইন এবং অফলাইন উভয় প্ল্যাটফর্মে বিক্রি করতে পারেন।

প্রতি মাসে ১০ লক্ষ টাকা আয় করে The Kabadi.com স্টার্টআপের মালিক শুভম একটি রিকশা, একটি অটো এবং তিনজন লোক নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করেছিলেন এবং ঘরে ঘরে আবর্জনা তুলতে শুরু করেছিলেন। আজ তাদের এক মাসের লাভের পরিমাণ আট থেকে দশ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। কোম্পানিটি এক মাসে ৪০ থেকে ৫০ টন আবর্জনা উত্তোলন করে। দুই বছর আগে চারজনকে নিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু হয়। আজ এই কোম্পানিতে ২৮ জন কর্মসংস্থান পেয়েছে।

Related Articles

Back to top button