আন্তর্জাতিকনতুন খবর

ইরাকে স্ট্রাইকের পর মুখ খুললেন ট্রাম্প! বললেন, দিল্লীতে আতঙ্কবাদ ছড়ানোর ষড়যন্ত্র করেছিল সোলেমানি।

গতকাল ভোরে আমেরিকা ইরাকের বাগদাদ এয়ারপোর্টে এয়ার স্ট্রাইক চালিয়েছিল। যার ফলস্বরূপ ইলাইট কুডস ফোর্সের প্রধান, ইরানি মেজর জেনারেল কাসিম সুলেমানি, ইরাকি মিলিশিয়া কমান্ডার আবু মাহদী আল-মুহান্দি সহ আটজন নিহত হয়। এই অপারেশনের পরেই আমেরিকার রাষ্ট্রপতি () নিজের টুইটে আমেরিকার পতাকা পোস্ট করেছিলে। আমেরিকার এই স্ট্রাইকের পেছনে অনেকে সামনে এগিয়ে আসা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে দায়ী করেছিলেন। বলা হয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের কঠোরতা দেখানোর জন্য এই স্ট্রাইক করেছে। যদিও এ বিষয়ে আমেরিকার প্রশাসন অন্য মত দেখিয়েছে।

সম্প্রতি ইরাকি প্রদর্শনকারীরা মার্কিন বিমান প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিল। ইরাক ও সিরিয়ায় কিনকিব হিজবুল্লাহ শিয়া যোদ্ধাদের টার্গেট করার প্রতিবাদে ইরাকি প্রদর্শনকারীরা মার্কিন দূতাবাস আক্রমণ করে এবং বাইরের বেড়াতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। তার প্রতিক্রিয়া হিসেবে আমেরিকা এই স্ট্রাইক করেছে বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে জানানো হয়েছে। পেন্টাগণের এক কর্মকর্তা বলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ মেনে ইরানের শীর্ষ কমান্ডার কাসিম সোলেমানিকে হত্যা করা হয়েছে।

তবে আমেরিকার এই স্ট্রাইকের চর্চায় এখন ভারতের ইস্যুও জড়িয়ে পড়েছে। আসলে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ তুলে বলেছেন, ভারতের রাজধানী দিল্লীতে () সন্ত্রাসবাদী গতিবিধি চালানোর জন্য কাসিম সোলেমানি যুক্ত ছিল। লন্ডন ও দিল্লীতে আতঙ্কবাদী গতিবিধিচালানোর জন্য কাসিম সোলাইমানিকে অভিযুক্ত করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরাকে মিসাইল আক্রমন সম্পর্কে বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, আমি খুশি যে এবার সুলেমানের আতঙ্ক ছড়ানোর দিন শেষ। আজ আমরা সুলেমানের অত্যাচ্চারে পীড়িত পরিবারের কথা স্মরণ করছি। সুলেমানের আতঙ্কের শাসন সমাপ্ত হয়েছে। তবে সুলেমান ভারতে কিভাবে আতঙ্কবাদী ষড়যন্ত্রের সাথে লিপ্ত ছিল তা জানা যায়নি। ট্রাম্পও এ বিষয়ে বিশেষ কিছু মন্তব্য করেননি। তবে মনে করা হচ্ছে উনি ২০১২ সালে ভারতে ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা আত্মীয়ের স্ত্রীর গাড়িতে হামলার কথা উল্লেখ করেছেন।

Back to top button
Close