আন্তর্জাতিকনতুন খবরভারতবর্ষ

চলল না ব্রিটেনের দাদাগিরি, ভারতের তোপের মুখে পড়ে আত্মসমর্পণ ইংল্যান্ডের

নয়া দিল্লিঃ ভারতের (india) জোড়া ভ্যাকসিনকেও প্রথমে মান্যতা দেয়নি ব্রিটেন (United Kingdom)। রিপোর্ট পেশ করে জানিয়েছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল ও অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের ছাড়া বাকিদের দুটো করে ভ্যাকসিন নেওয়া থাকলেও, থাকতে হবে কোয়ারেন্টিনে। এরপর ভারতের দেওয়া পালটা চালে সম্বিত ফিরল ব্রিটেনের, শিথিল করল নিয়ম।

করোনা আবহে যখন সমগ্র বিশ্ব কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল, সেই সময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী থেকে শুরু করে পরবর্তীতে করোনা ভ্যাকসিন দিয়ে বিভিন্ন দেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল ভারত। কিন্তু এই করোনা আবহের মধ্যেই ভারতের বিষয়ে কিছুটা কড়া হয়েছিল ব্রিটেন। আর ভারত তার পালটা জবাব দিতেই সঠিক রাস্তায় ফিরল জনসনের দেশ।

বিষয়টা হল, করোনা আবহে এক দেশ থেকে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়া যাত্রীদের ক্ষেত্রে বেশকিছু বিধি নিষেধ জারি করা হয়েছিল। তার মধ্যে ব্রিটেন জানিয়েছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল ও অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের যদি দুটি করে টিকা নেওয়া থাকে, তাহলে ব্রিটেনে যাওয়ার পর তাঁদের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না।

অন্যদিকে, তাঁরা জানিয়েছিল এই নিয়ম অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে একেবারেই প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ সেক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে ভারতের কোভিশিল্ডের দুটো ডোজের শংসাপত্র থাকলেও, ভারতীয়দের সেখানে কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দিয়েছিল ব্রিটেন সরকার। তবে পরবর্তীতে কোভিশিল্ডকে মান্যতা দিলেও, কোউইন অ্যাপের মাধ্যমে শংসাপত্রকে অনুমোদন দেয়নি সে দেশ।

এরপরই এক কড়া পদক্ষেপ নেয় ভারত। ভারত সরকার নির্দেশিকা জারি করে ঘোষণা করে দেয়, ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ হয়ে গেলেও, এদেশে আগত ব্রিটিশদের ১০ দিনের কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক। নয়াদিল্লীর এই পদক্ষেপের পরই কিছুটা নড়েচড়ে বসে ব্রিটেন সরকার। বদলে ফেলে নিজের মত।

সম্প্রতি ভারতস্থিত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত অ্যালেক্স এলিস ট্যুইটারে জানান, ‘ব্রিটিশ অনুমোদিত টিকা কিংবা কোভিশিল্ডের ক্ষেত্রে ভারতীয়দের ব্রিটেনে কোয়ারেন্টিনের প্রয়োজন নেই। গত মাসের ভারত সরকারের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ এবং এই নিয়ম ১১ ই অক্টোবর থেকেই লাগু হবে’।

Related Articles

Back to top button