নতুন খবররাজনীতি

আমাদের সাথে ক্রিমিনালের মতো ব্যাবহার করছে মোদী সরকার, চিঠি লিখে দুঃখ প্রকাশ ফারুখ আব্দুল্লার।

কংগ্রেস সাংসদ () ন্যাশনাল কনফারেন্স এর প্রাক্তন সভাপতি এবং জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহর () একটি চিঠি টুইট করেছেন। চিঠির আর্জিটি হ’ল কর্মকর্তারা সময় মতো ফারুক সাহেবকে চিঠিও দিচ্ছেন না। ফারুখ আব্দুল্লাহকে একজন অপরাধীর মতো ব্যাবহার করা হচ্ছে। এক জন বরিষ্ঠ রাজনীতিবিদ ও নেতা হওয়া সত্ত্বেও উনার সাথে এমন দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। থারুর এই চিঠিটি টুইট করে লিখেছেন, “জেলখানায় বন্দি ফারুক সাহেবের চিঠি। সংসদ সদস্যদের সংসদ অধিবেশনে অংশ নিতে দেওয়া উচিত।

কারণ এটা তাদের অধিকার। অন্যথা গ্রেপ্তার করে বিরোধীদের কণ্ঠকে দমন করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। গণতন্ত্র ও জনপ্রিয় সার্বভৌমত্বের জন্য সংসদে অংশ নেওয়া অপরিহার্য। ” ফারুক আবদুল্লাহ চিঠিতে লিখেছেন, “আমি আজ আপনার পত্র (শশী থারুর) ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে পেয়েছি। এটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে তারা সময়মতো আমার পোস্ট সরবরাহ করে না। কোনও প্রবীণ এমপি এবং দলীয় নেতার সাথে এই আচরণ করা উচিত নয়, আমরা অপরাধী নই। ”

তাৎপর্যপূর্ণভাবে, আগস্টে মোদী সরকার জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে রাজ্যটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করেছিল। সরকার জম্মু-কাশ্মীর থেকে ধারা ৩৭০ অপসারণ করে দিয়েছে। সিদ্ধান্ত এর আগে সতর্কতামূলকভাবে রাজ্যে সক্রিয় দলগুলোর নেতাদের এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আটক করা হয়েছিল। অনেক নেতাকে গৃহবন্দী করা হয়েছিল। এ জাতীয় নেতাদের মধ্যে আবদুল্লাহ এবং মুফতি পরিবারের রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় সদস্যরাও রয়েছেন।

মোদী সরকার এই নেতা নেত্রীদের মুক্তি করার একটা শর্ত দিয়েছে, শর্ত অনুযায়ী এই নেতাদের উপত্যকায় শান্তি বজায় রাখতে সাহায্য করতে হবে।তবে আব্দুল্লাহ বা মুফতি কেউ মোদী সরকারের শর্তে রাজি হয়নি। যার জন্য সরকার এই নেতাদের গৃহ বন্দি করে রেখেছে। সরকার জানিয়েছে, দেশকে সুরক্ষিত রাখার জন্য যা করার দরকার তাই তাই করা হবে। এখানে কোনো নেতার স্বার্থ দেশের উপরে নয় বলে জানিয়েছে মোদী সরকার।

Back to top button
Close