নতুন খবরভারতবর্ষ

উন্নাও ধর্ষিতার ভাবুক আবেদন ‘আমার হাল এমন যারা করেছে, তাঁরা যেন বেঁচে না থাকে”

উন্নাও গণ ধর্ষণ কাণ্ডে ( Gang ) নির্যাতিতার সফদরগঞ্জ হাসপাতালে () চিকিৎসা চলছে। নির্যাতিতার লাগাতার অবস্থার অবনতি হওয়ার কারণে ডাক্তারেরা তাঁকে ভেন্টিলেটরে রেখেছেন। সাতজন ডাক্তারের দল নির্যাতিতার উপর নজর রাখছে। সফদরগঞ্জ হাসপাতালের মেডিকেল সুপারিটেন্ডেন্ট ডঃ সুনীল গুপ্তা জানান, গতকাল রাতে নির্যাতিতার কিছুক্ষণের জন্য হুঁশ এসেছিল। আর তখন সে একটি কথাই বলেছিল, ‘আমে বেঁচে যাব, দোষীদের যেন না ছাড়া হয়।” এরপর লাগাতার তাঁর অবস্থা শোচনীয় হয়ে চলেছে।

ডঃ সুনীল গুপ্তা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে নির্যাতিতাকে লখনউ থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে দিল্লীতে আনা হয়েছে। হাসপাতাল পৌঁছানর সাথে সাথে সাত ডাক্তারের দল তাঁর চিকিৎসা করা শুরু করে দেয়। বার্ণ ডিপার্টমেন্টের হেড ডঃ শলভ এর তত্ববধানে নির্যাতিতার চিকিৎসা চলছে। রাত ৯টা পর্যন্ত নির্যাতিতা হুঁশে ছিলেন। হুঁশে থাকার সময় নির্যাতিতা বারবার একটাই কথা বলছিলেন, ‘আমি বেঁচে যাব। কিন্তু দোষীদের যেন না ছাড়া হয়।”

ডাক্তার এও বলেন যে, এইরকম মামলায় শুরুর ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়, শারীরিক অবস্থা ঘণ্টায় ঘণ্টায় বদলে যায়, এখন নির্যাতিতার অবস্থা শোচনীয়।

শুক্রবার সকালে সফদরগঞ্জ হাসপাতালে মেডিকেল সুপারিটেন্ডেন্ট ডঃ সুনীল গুপ্তা একটি বয়ান জারি করে বলে, নির্যাতিতার বেঁচে যাওয়ার চ্যান্স খুবই কম। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে বলে, তাঁকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে। আরেকদিকে সুত্র অনুযায়ী, নির্যাতিতার কমরের নীচে দুটি অঙ্গ আগুনে জ্বলে গেছে। আর সেই কারণে নির্যাতিতার অবস্থা লাগাতার খারাপ হচ্ছে।

Back to top button
Close