Press "Enter" to skip to content

দলীয় প্রার্থীর উপর সোনা পাচারের অভিযোগ তুললেন মমতাবালা ঠাকুর! দলত্যাগ তৃণমূল নেতার

শেয়ার করুন -

গাইঘাটাঃ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার একুশের নির্বাচনের জন্য তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছেন। আর প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার পর থেকেই চারিদিকে বিক্ষোভের সুর শোনা যাচ্ছে। আর এবার সেই বিক্ষোভের আঁচ আছড়ে পড়ল মতুয়াদের দের ঠাকুরবাড়িতে। মতুয়া ঠাকুরবাড়ির সদস্য তথা প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর গাইঘাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীকে সোনাপাচারকারী বলে সম্বোধন করেছেন।

গতকাল রবিবার একটি সাংবাদিক সন্মেলন করে তৃণমূলের আহ্বায়ক ধ্যানেশ গুহ দল ছাড়েন। তিনি সরাসরি গাইঘাটার তৃণমূল প্রার্থী নরোত্তম বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন যে, নরোত্তমবাবু সোনাপাচার কাণ্ডে যুক্ত। তৃণমূলের আহ্বায়ক ধ্যানেশ গুহর অভিযোগকে সম্পূর্ণ সমর্থন করেন তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ তথা ঠাকুরবাড়ির সদস্য মমতাবালা ঠাকুর।

গতকাল তৃণমূলের আহ্বায়ক ধ্যানেশ গুহর বাড়িতে আশীর্বাদ নিতে গিয়েছিলেন গাইঘাটার তৃণমূল প্রার্থী নরোত্তম বিশ্বাস। কিন্তু ধ্যানেশবাবু নরোত্তম বিশ্বাসকে বাড়িতেই ঢুকতে দেননি। এরপর তিনি একটি সাংবাদিক বৈঠক ডেকে বলেন যে, মুম্বাই থেকে সোনা নিয়ে পালিয়ে এসেছিলেন নরোত্তম বিশ্বাস। এরপর তিনি আর কোনদিনও মুম্বাই যাননি। নরোত্তম বিশ্বাস কার থেকে কত সোনা নিয়েছেন, সেটাও বিস্তারিত ভাবে জানান ধ্যানেশবাবু। এরপর তিনি দল ছাড়ার ঘোষণা করেন।

ধ্যানেশবাবুর সাংবাদিক বৈঠকের পর মমতাবালা ঠাকুরও সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘ধ্যানেশবাবু প্রার্থী নিয়ে যা বলেছেন, সব ঠিক। দলের উচিৎ হয়নি ঠাকুরবাড়ির প্রতিপক্ষকে টিকিট দেওয়া। আমার এর থেকে আর বেশি কিছু বলার নেই।”

তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ বলেন, ‘আমি আগেই দলকে জানিয়েছিলাম যে আমি স্বরুপনগর থেকে নির্বাচনে দাঁড়াতে চাই। কিন্তু দল ওই আসনে কোনও মতুয়াকে টিকিট দেয়নি। এরপর আমি ভোটে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিই।” তৃণমূলের আহ্বায়ক ধ্যানেশ গুহ আর মমতাবালা ঠাকুরের অভিযোগের পর তৃণমূল প্রার্থী নরোত্তম বিশ্বাস বলেন, ‘আমি সবকথা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে জানিয়েছি, মানুষ বিচার করবে আমি ঠিক না বেঠিক।”