Press "Enter" to skip to content

গঙ্গাকে দূষণমুক্ত করতে বিশেষ পুলিশ বাহিনী তৈরি করছে কেন্দ্র সরকার! দূষণ করলেই ৫ বছরের জেল ও জরিমানা।

শেয়ার করুন -

সরকার গঙ্গার দূষণ কমানোর জন্য কিছু নতুন পরিকল্পনা করছে এবং সেটি বাস্তবায়নের বিষয়ে বিবেচনা করছে। সোমবার থেকে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন সরকার জাতীয় নদী গঙ্গা (পুনর্জীবন, সংরক্ষণ ও পরিচালনা) বিধেয়ক, 2019 প্রবর্তন করতে পারে। এর আওতায় গঙ্গায় দূষণ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য পাঁচ বছর পর্যন্ত জরিমানা এবং 50 কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। গঙ্গাকে দূষণ থেকে বাঁচাতে কেন্দ্রীয় সরকার একটি বিশেষ ধরণের পুলিশ বাহিনী তৈরি করবে। যার নাম দেওয়া হবে “গঙ্গা সুরক্ষা বাহিনী”। এই বাহিনীর কাছে যে বিধি উলঙ্ঘন করবে তাকে সগ্রেপ্তার ও স্থানীয় থানায় ধরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা থাকবে। গঙ্গা নদীর দেখাশোনা করার জন্য সর্বদা প্রশাসনকে সক্রিয় রাখা হবে।

এ ছাড়াও, জাতীয় গঙ্গা কাউন্সিলও তৈরি করা হবে যা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও এই কাউন্সিলটিতে উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তথ্য মতে, জলবিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় ১৩-অধ্যায়ের বিলের রূপরেখা তৈরি করেছে। বিলটিও মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। এতে অবৈধ নির্মাণ কাজ, জলের প্রবাহ বন্ধ করা, গঙ্গায় ময়লা ছড়িয়ে দেওয়ার মতো অনেক বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই বিলের উদ্দেশ্য গঙ্গার দূষণ রোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা। এছাড়া অবিচ্ছিন্ন জলের প্রবাহ নিশ্চিত করা যাতে নদীটিকে প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়। জানিয়ে দি, দেশকে নতুন রূপ দিতে হলে দেশের নদীগুলির উপর গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত অবশ্যক। কারণ নদী স্বচ্ছ না থাকলে ওই নদীকে কেন্দ্র করে থাকা সমস্ত জনজীবন সমস্যায় পড়বে। এর মধ্যে ভারতে গঙ্গা নদীর এক বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। যা এখন ব্যাপক হারে দূষিত হয়েছে। কল কারখানা ইত্যাদি থেকে আগত দূষিত জল ও অন্যান নোংরা জল গঙ্গা নদীতে ফেলানোর উপর লাগাম লাগাতে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।