নতুন খবরভারতবর্ষ

সঙ্কটমোচনরূপে মন্দির: হনুমান মন্দিরকে পরিণত করা হল করোনা চিকিৎসার হাসপাতাল!

মন্ত্র ব্রাহ্মণ এর অধীন এবং দেব দেবতা মন্ত্রের অধীন। আর দেব দেবতার বাসের স্থান হল মন্দির। বলা হয় আত্মা শরীরকে জীবন্ত রাখে সেইভাবে মন্দির ভারতকে জীবিত রাখে। এখন দেশের কঠিন সময়ে দেশের মন্দিরগুলিকে বড় ভূমিকা পালন করতে দেখা যাচ্ছে। আগেই দেশের মন্দির কমিটি গুলি দান করে মহানতা দেখিয়েছে। এখন গুজরাট থেকে একটা বড় খবর সামনে আসছে যা যেকোনো সনাতনী হিন্দুকে গর্ব করবে।

আসলে গুজরাটের এক হনুমান মন্দিরকে পুরো হাসপাতালে পরিণত করা হয়েছে। মন্দিরের ভেতরেই আইসোলেশন চেম্বার থেকে শুরু করে কোয়ারেন্টিন সেন্টার সমস্তকিছুর ব্যাবস্থা রয়েছে। পৃথিবীর ভগবান অর্থাৎ চিকিৎসকদের যাতে কোনো অসুবিধা না হয় তার জন্য স্পেশাল কেবিন,OPD, অক্সিজেনের সাপ্লাই রয়েছে।

মন্দিরের মধ্যে ৪৫ টি আইসোলেশন ওয়ার্ড রয়েছে এবং ৫ টি ভেন্টিলেটর রয়েছে। গুজরাতের সারেঙপুর হনুমান মন্দিরকে কোয়ারেন্টাই সেন্টারে পরিণত করা হয়েছে। এখন দেশজুড়ে হাসপাতালের প্রয়োজন আর ঠিক এখন সঙ্কটমোচনের জন্য হনুমান মন্দির হাজির হয়েছে।

জানিয়ে দি, দেশের কঠিন সময়ে হনুমান মন্দির যেভাবে সমাজকে রক্ষা করতে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। যদিও বেশকিছু স্বঘোষিত বুদ্ধিজীবী ভারতে রয়েছে যারা বেশিরভাগ সময় দেশের মন্দিরের উপর বিষ উগরাতে ব্যাস্ত থাকে।

এরআগে, পাটনার মহাবীর মন্দির ট্রাস্ট করোনা মহামারির সাথে লড়াই করার জন্য ১ কোটি টাকা প্রদান করেছিল। শুধু এই নয়, পাটনার এই হনুমান মন্দিরটি অসহায়দের খাবার জোগানেও সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন। আসলে বৰ্তমান সময়ে অনেক রিকশাওয়ালা, দৈনিক শ্রমিক সমস্যায় পড়েছেন। কারণ তাদের খাবার জোটে নিয়মিত পরিশ্রমের দ্বারা। এখন লকডাউনের কারণে গরিবদের অবস্থা সংকটে পড়েছে। এখন মহাবীর সংকটমোচন হনুমান দেবের এই মন্দির এলাকার সমস্থ গরিবদের খাবারের দায়িত্ব নেবে বলে জানিয়েছে।

Back to top button
Close