Press "Enter" to skip to content

আরবিদের কট্টর শত্রু মহাকাল ভক্ত মিহিরভোজ! যার ৩৬ লাখ সেনার ভয়ে কাঁপতো তুর্কি ও আরবিরা

শেয়ার করুন -

সনাতনী হিন্দুদের পবিত্রভুমিকে লুটপাট করার ষড়যন্ত্র ও চেষ্টা হাজার হাজার বছর ধরে বিদেশী বর্বরদের দ্বারা হয়ে আসছে। তবে যুগে যুগে মহান হিন্দু যোদ্ধারা বিদেশী আক্রমনকারীদের থেকে ভারতভুমিকে রক্ষা করে এসেছে। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ভারতের বেশিরভাগ ইতিহাসকে গোপন করে দেওয়া হয়েছে। ইংরেজ শাসনের পর বেশকিছু ইতিহাসবিদ যারা সঠিক ইতিহাস বের করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছিলেন। তবে নোংরা রাজনীতি সেইসব ইতিহাসবিদদের দমিয়ে দেয়। ভারতের ইতিহাসে এমন বহু বীর যোদ্ধার কাহিনী রয়েছে যারা দেশের পবিত্রভুমিকে গৌরবান্বিত করেছে।

এমনই এক রাজা ছিলেন সম্রাট আদি বরাহ মিহিরভোজ, যিনি আরবিদের সবথেকে কট্টর শত্রু হিসেবে পরিচিত ছিলেন। মিহিরভোজ আরবিদের বিরুদ্ধে প্রায় ২০ টি যুদ্ধ করেছিলেন এবং সনাতনী হিন্দুদের পবিত্র ভুমিকে বিদেশীদের আক্রমন থেকে রক্ষা করে ছিলেন। এই কারণে অনেকে মিহিরভোজকে হিন্দুদের মহারক্ষক বলেও সন্মান প্রদান করেন। মিহির ভোজ মাত্র ২০ বছর বয়সে রাজ সিংহাসনে বসেছিলেন। মন্দির নির্মাণ করার দিক থেকে অত্যান্ত উৎসাহি ছিলেন এই হিন্দু রাজা। ক্ষমতা হাতে আসতেই সেনাকে দারুনভাবে শক্তিশালী করে তুলেছিলেন মিহির ভোজ। বলা হয় সম্রাট নিজের ৩৬ লক্ষের বিশাল সেনা তৈরি করেছিলেন। এমনকি আরবিরা নিজেদের বইতেও এটা স্বীকার করেছে যে মিহিরভোজের মতো রাজা ভারতে না থাকলে তারা খুব শীঘ্রই ভারতে শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারতো।

 

কিছু বিদেশী ইতিহাসবিদদের মতে আরবের সেনা যখন শক্তিশালীর দিক থেকে চরম পর্যায়ে ছিল তখনও অবধি অদ্ভুতভাবে ভারতের হিন্দু রাজারা আরবিদের ৩০০ বছর ধরে হারিয়েছিল। বাপ্পা রাওয়াল আরবের সীমায় ঢুকে শত্রুদের বিনাশ করেছিলেন। যার দরুন বহু বছর আরবিরা ভারতভূমির দিকে চোখ তুলে তাকায়নি। তবে ৮৩৪ আরবিদের একটা বড়ো সেনা ভারতের উপর আক্রমন করতে প্রস্তুত নেয়। কিন্তু মিহির ভোজের সেনার সামনে আরবি সেনা বেশি সময় টিকতে পারেনি। সিন্ধ দেশে ইমরান বিন মুসার সাথে আদি বরাহ জড়িয়ে পড়েন।

৩ লক্ষের সেনা নিয়ে মিহির ভোজ সিন্ধের ইমরান বিন মুসার উপর আক্রমন হানেন। যেখানে আরবিদের সমূল নষ্ট করে দেওয়া হয়। মুলতান ও মনসুরা প্রান্তে তখনও অবধি আরবিদের আধিপত্য ছিল। মোহিরভোজের সেনা বেশ উৎসাহিত ছিল যেকারণে তারা মনসুরা প্রান্তের দিকে অভিযান চালায়। আক্রমন এতটাই ভয়ানক ছিল যে খবর আরব দেশ অবধি পৌঁছে যায় এবং মিহিরভোজকে তারা কট্টর শত্রু ঘোষণা করে। মিহিরভোজের ভয়ানক আক্রমন আরবি হাকিমদের ঘুম উড়িয়ে দেয়। তারা বুঝতে পারে যে সনাতনীদের রক্ত আপাতত ঠান্ডা হওয়ার নয়। মিহিরভোজ সীমান্তে সেনা নিযুক্ত করেন যাতে একটা আরবি গোয়েন্দা ও সৈনিকদের উপদ্রবের উপর কড়া নজর রাখা যায়।