নতুন খবর

JNU ছাত্র হতে গেছিল দ্বিতীয় জিন্না, এবার খাবে জেলের ভাত! দেওয়া হচ্ছে বেধড়ক ওষুধ

JNU থেকে আগে “ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে ইনশাল্লাহ”, “আফজল তেরে কাতিল আভি জিন্দা হ্যায়” “কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদী” ইত্যাদি শ্লোগান JNU তে শোনা যেত। আর এখন JNU ছাত্র ভারত থেকে আসামকে আলাদা করার পরিকল্পনার ঘোষণাও করে দিয়েছিল। দ্বিতীয় জিন্না হওয়ার আশা নিয়ে ভারতকে ভাঙতে চেয়েছিল। এর জন্য সে মুসলিম ভিড়কে উস্কানি দিয়েছিল চিকেন নেক নামে পরিচিত ে হাজির হতে। যাতে ওই সংকীর্ন এলাকাকে সড়কপথে ও রেল পথে ভেঙে দেওয়া যায়।

সারজিল ইমাম ভিড়কে উস্কানি দিয়ে বলেছিল আমরা ৫ লক্ষ লোক একত্র করতে পারলেই আসামকে একেবারের জন্য ভারত থেকে আলাদা করে দেব। যদি একেবারে জন্য না হয় তবে কিছুদিনের জন্য তো করবোই। সারজিল ইমাম এর সেই ভাষণ ভাইরাল হয়ে পড়ে। তার বিরুদ্ধে দায়ের হয় দেশদ্রোহী মামলা। ৫ টি রাজ্যের পুলিশ সারজিল ইমামকে গ্রেফতারের জন্য নেমে পড়ে।

শারজিলকে বিহারের জাহানাবাদ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে পুলিশ মঙ্গলবার সকালে শারজিলের খোঁজে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল। সেখান থেকে পুলিশ শারজিলের ভাই মুজম্মিল ইমামকে গ্রেফতার করেছিল। উল্লেখ্য, দিল্লী পুলিশ মুম্বাই, পাটনা আর দিল্লীতে শারজিলের খোঁজে তল্লাশি চালায়। দিল্লী পুলিশের আশঙ্কা ছিল সে যদি বিহারের রাস্তা দিয়ে নেপালে চলে যেত, তাহলে তাঁকে ফিরিয়ে আনা মুশকিল হয়ে যেত। এখন সারজিলকে গ্রেফতার করে তার ওষুধ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে

দিল্লী পুলিশ সোমবার জানায় যে, তাঁকে শেষবার ২৫ জানুয়ারি দেখা গেছিল। বিহারের ফুওয়ারি শরিফে একটি বৈঠকে অংশ নিয়েছিল সে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সারজিলের গ্রেফতার নিয়ে দেশের জনগন পতিক্রিয়া জানাচ্ছে। অনেকে বলেছে দ্বিতীয় জিন্না হওয়ার স্বপ্ন শেষ, এবার জেলের ভাত খাবে দেশদ্রোহী সারজিল।

Back to top button
Close