টাকা পয়সানতুন খবরব্যবসাভারতবর্ষ

কর্মচারী নয়, হয়ে যান পার্টনার! টাটার সঙ্গে কাজ করে মোটা টাকা ইনকামের বাম্পার সুযোগ

কলকাতাঃ বিশেষত করোনা কালে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে অনলাইন পরিষেবার চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। অনলাইনে ওষুধ আনিয়ে নেওয়া এখন নিরাপদ মনে করছেন অনেকেই। আর সেই কারণে ‘১এমজি’-র মতো সংস্থাগুলি এখন ভীষণ রকম জনপ্রিয়। ‘১এমজি’ এমন একটি অনলাইন প্লাটফর্ম যেখানে আপনি প্রেস্ক্রিপশন আপলোড করার পর ওষুধ বাড়িতে হোম ডেলিভারি দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে ভালো ডিসকাউন্ট অফারও রয়েছে। আর সেই কারণে জনপ্রিয়তা রীতিমতো বাড়ছে এই কোম্পানিটির।

এবার ১এমজি এবং টাটা গ্রুপ মিলে নিয়ে এলো একটি দুরন্ত অফার। যার জেরে সরাসরি টাটা গ্রুপের সঙ্গেই যুক্ত হতে পারবেন আপনি তাও আবার মাত্র ১০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করলেই। বিশেষত কোভিডের পর অনেকেই নতুন ধরনের ব্যবসার খোঁজ করছেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি ওষুধপত্রের ব্যবসার সাথে যুক্ত হন, তাহলে লোকসান প্রায় নেই বললেই চলে। এমনকি গ্রামাঞ্চলের দিকেও এই ব্যবসায় যথেষ্ট লাভ রয়েছে। কিন্তু ওষুধের দোকান খোলা অনেক ক্ষেত্রে অসম্ভব জনসাধারণের জন্য।

কারণ এক্ষেত্রে একদিকে যেমন লাগে ফার্মাসিস্টের সার্টিফিকেট, তেমনি আবার ড্রাগ লাইসেন্স বের করাও যথেষ্ট কষ্টকর। কিন্তু ‘১এমজি’ এবং টাটা গ্রুপ আপনাকে দিচ্ছে সেই সুযোগ, যার জেরে ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে সরাসরি এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন আপনি। আসলে বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের ক্রেতার সংখ্যা বাড়াতে চাইছে ১এমজি। আর তাই টাটা গ্রুপ নিয়ে এসেছে একটি নতুন পলিসি যার নাম ‘সেহাত কে সাথী’। এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হলে আপনাকে ১এমজির জন্য নতুন ক্রেতা খুঁজে বের করতে হবে। অর্থাৎ আপনাকে দেওয়া হবে একটি এলাকার দায়িত্ব। সেই এলাকায় সংস্থার জন্য ক্রেতা খুঁজে দেবেন আপনি। যত বেশি গ্রাহক তৈরি করবেন ততই আপনি কমিশন পাবেন।

এই প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত হতে গেলে আপনাকে বিনিয়োগ করতে হবে ১০ হাজার টাকা, তার জন্য কোম্পানির তরফ থেকে আপনাকে দেওয়া হবে একটি সুগার চেকিং মেশিন, রক্তচাপ পরীক্ষা করার মেশিন এবং ৫০০ টি ভিজিটিং কার্ড। বর্তমানে দেশের ১৮০০ টিরও দেশি ছোট বড় শহরে ওষুধ সরবরাহ করে ১এমজি। ২০১৫ সালে এই কোম্পানির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন প্রশান্ত ট্যান্ডন এবং গৌরব আগরওয়াল। এবার এদের সাথে যুক্ত হতে চলেছে টাটাও। ইতিমধ্যেই ১০০ জনেরও বেশি মানুষ এই নতুন প্রকল্পের সাথে যুক্ত হয়েছেন। দিনে দিনে এর চাহিদা আরও বাড়ছে। আগামী দিনে অনলাইনে এই ওষুধ সরবরাহ ভারতে আরও বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ইন্ডাস্ট্রি আগামী দিনে ১৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি ব্যবসা দিতে পারে। বর্তমানে যা আড়াই হাজার কোটি টাকার ব্যবসা তৈরি করেছে।

 

 

Related Articles

Back to top button