আন্তর্জাতিকনতুন খবর

তালিবানে তুমুলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! বরাদরকে বানানো হয়েছে বন্দি, আখুন্দজাদাকে হত্যা! চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট ব্রিটেনের

নয়া দিল্লিঃ তালিবানের অন্দরে ক্ষমতা নিয়ে চলা দ্বন্দ্বের মধ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সামনে এসেছে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, হক্কানি নেটওয়ার্ক আর তালিবানের মধ্যে হওয়া রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে তালিবানের শীর্ষ নেতা হিবতুল্লাহ আখুন্দজাদাকে হত্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে আফগানিস্তানের নয়া উপ প্রধানমন্ত্রী মুল্লা বরাদরকে বন্দি বানানো হয়েছে।

ব্রিটেনের একটি ম্যাগাজিনে এই দাবি করা হয়েছে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, ক্ষমতা দখলের জন্য চলা খুনি সংঘর্ষে বরাদর গোষ্ঠীর বেশি ক্ষতি হয়েছে। বলে দিই, আফগানিস্তানের সরকার গঠনের পরই তালিবানের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের খবর সামনে এসেছে। বরদার গোষ্ঠী আর হক্কানি নেটওয়ার্ক ক্ষমতার শীর্ষে থাকার জন্য একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে।

ব্রিটেনের ম্যাগাজিন দাবি করেছে যে, হক্কানি নেটওয়ার্ক আর তালিবানের মধ্যে সরকার গঠন নিয়ে বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। আর সেই সময় হক্কানি নেটওয়ার্কের নেতা খলিল-উল রহমান হক্কানি তালিবান নেতা মুল্লা বরদারকে মারধর করা শুরু করে দেয়। এরপর দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গোলাগুলিও চলে, যাতে বরাদর আহত হয়।

এই সংঘর্ষের পর বেশি কিছুদিন পর্যন্ত বরাদর কারও সামনে এসেছিল না। খবর ছড়িয়েছিল যে, গুলি লাগার কারণে বরাদরের মৃত্যু হয়েছে। চারিদিকে এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বরাদর একটি ভিডিও বার্তা জারি করে সবাইকে আশ্বস্ত করে যে, সে বেঁচে আছে আর সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রয়েছে। ব্রিটেনের ম্যাগাজিন দাবি করেছে যে, ওই সংঘর্ষের পর হক্কানি গোষ্ঠী বরাদরকে একটি গোপন জায়গায় বন্দি রেখেছে, আর তাঁকে দিয়ে জোর করে ওই ভিডিও বানিয়েছে।

তালিবানের শীর্ষ নেতা তথা কুখ্যাত জঙ্গি হিবতুল্লাহ আখুন্দজাদা বিগত কয়েকদিন ধরে কারও সামনে আসেনি। যদিও, এমনিতেও আখুন্দজাদা সচারচর কারও সামনে আসেনা। কিন্তু এই সংঘর্ষের পর তাঁর কোনও বার্তা প্রকাশ্যে না আসায় জল্পনা উঠেছে যে, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button