Press "Enter" to skip to content

অযোধ্যার রায় নিয়ে লেখালেখি করলো বিদেশী আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলি! বললো আদালত করেছে, সুবিচার।

শেয়ার করুন -

বহু শতাব্দী ধরে ভারতে চলমান অযোধ্যায় রামজন্মভূমি-বাবরি মসজিদের বিতর্কিত জমি ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের রায় এসেছে। শুধু পুরো দেশই নয়, বিশ্ব এই সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছিল, কারণ এটি ছিল ভারতীয় ইতিহাস এবং রাজনৈতিক দৃষ্টিকোন থেকে অনেক বড় সিদ্ধান্ত। বিশ্বের বড় বড় সংবাদ সংস্থা, সংবাদপত্রগুলি, মিডিয়া সাইটগুলি এবং নিউজ চ্যানেলগুলি অযোধ্যা বিতর্ক কভার করেছে। মার্কিন সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমস এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছিল, যার ‘শিরোনাম ছিল ‘Court Backs Hindus on Ayodhya, Handing Modi Victory in His Bid to Remake India’

নিউইয়র্ক টাইমস তার নিবন্ধে লিখেছেন-
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট শনিবার  পুরানো মামলায় হিন্দুদের পক্ষে রায় দিয়েছে। অযোধ্যায় বিতর্কিত স্থানটি মুসলমানরা নিজেদের দাবি করছিল, যা রামজন্মভূমি হিসেব পরিচিত। আদালতের  সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং তাঁর অনুসারীদের দেশকে ধর্মনিরপেক্ষ ভিত্তি থেকে হিন্দু ধর্মে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি বড় জয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্য একটি সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্টও এই মামলার বিষয়ে লেখা লেখি করেছে। তাদের হেডলাইন ছিল- ‘India’s Supreme Court clears way for a Hindu temple at country’s most disputed religious site’,

পত্রিকায় লেখা হয়েছে, ‘অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ ভারতীয় জনতা পার্টি এবং অন্যান্য হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের একটি বড় লক্ষ্য ছিল। মে মাসে নির্বাচনে জয়ের পরে নরেন্দ্র মোদী তার এজেন্ডা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। এই সিদ্ধান্ত হিন্দুদের বিতর্কিত জমির অধিকার দেয়, মুসলমানদের যুক্তি উপেক্ষা করে, যা নরেন্দ্র মোদীর জন্য বড় জয়। ‘ অন্যদিকে পাকিস্তানের পত্রিকা DAWN ভারতের আদালতের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে।

পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যম DAWN অর্ধ সত্যকে প্রকাশিত করে ভারতের আদালত ও সরকারের নিন্দা করেছে। যেটা স্বাভাবিক ভাবেই আশা করা যায়। তবে বেশিরভাগ মিডিয়ায়, আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ভারতের সুপ্রিম কোর্ট তথা আদালতের রায়কে সু বিচার বলে গণ্য করেছে।  বেশিরভাগ মিডিয়া ভারতের আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে। জানিয়ে দি, অযোধ্যা মামলা প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো যা নিয়ে বহু বার আন্দোলন হয়েছে। এখন কেন্দ্রে মোদী ও উত্তরপ্রদেশে যোগীর শক্তিশালী সরকার রয়েছে। যাদের সুরক্ষা ব্যাবস্থার উপর ভিত্তি করে আদালত রায় দিতে সক্ষম হয়েছে। ফলস্বরূপ দেশ এক পদক্ষেপ এগিয়ে নতুন নতুন সমস্যা সমাধানের দিকে পা বাড়াতে পারবে।