নতুন খবরভারতীয় সেনা

বড় খবরঃ কাশ্মীরে জইশ-এ-মোহম্মদ এর চীফ তথা পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ডকে খতম করল ভারতীয় সেনা

জম্মু কাশ্মীরে সেনা বড়সড় সফলতা অর্জন করলো। () এনকাউন্টারে পুলওয়ামা হামলার () মাস্টারমাইন্ড তথা পাকিস্তানি জঙ্গি কারী ইয়াসিরকে () খতম করেছে। ইয়াসির কাশ্মীরে জঙ্গি সংগঠন জইশ-এ-মোহম্মদ (Jaish e Mohammed) এর চীফ ছিল। এই এনকাউন্টারে সেনা ইয়াসিরের দুই সহযোগীকেও খতম করে। এই এনকাউন্টার শনিবার অবন্তিপোরায় () হয়। আপনাদের জানিয়ে রাখি, গত বছর ১৪ই ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামা হামলায় ভারতের ৪০ জওয়ান শহীদ হয়েছিলেন।

কাশ্মীরের আইজি বিজয় কুমারের অনুযায়ী, ইয়াসির পুলওয়ামা হামলার মাস্টার মাইন্ড ছিল। শোনা যায় যে, এই কুখ্যাত জঙ্গি IED ব্লাস্টের এক্সপার্ট ছিল। আর যেই দুই জঙ্গি মারা গেছে, তাঁদের নাম হল মুসা (আবু উসমান। এছাড়াও ত্রালের বাসিন্দা জঙ্গি বুরহানউদ্দিনকেও খতম করেছে সেনা। সেনা গোপন সুত্রে খবর পেয়েছিল যে, ২৬ শে জানুয়ারি এই জঙ্গিরা বড়সড় নাশকতা চালাতে পারে।

শ্রীনগরের চিনার কোরের জেলারেল অফিসার কমান্ডিং জেনারেল কেএস ঢিলোন আর পুলিশ মহানির্দেশক বিজয় কুমার বলেন, ‘ত্রালে এনকাউন্টারে আমরা তিন জঙ্গিকে খতম করেছি, যার মধ্যে জইশ এর কাশ্মীর এলাকার প্রধান কারী ইয়াসিরও ছিল। ইয়াসির গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে IED ব্লাস্টে যুক্ত ছিল। ইয়াসির জঙ্গি সংগঠনে যুবদের ভর্তি করানোর সাথে সাথে কাশ্মীর থেকে জঙ্গি এদেশে ঢোকাত।”

এই এনকাউন্টারে সেনার তিন জওয়ান আহত হন, চিকিৎসার জন্য তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আইপিজী বলেন, পুলিশ শ্রীনগর আর তাঁর আশেপাশে IED ব্লাস্টের গোপন খবর পেয়েছিল। উনি বলেন, ‘আমরা বুরহান আর ইয়াসিরের নাম জানতাম। তাঁদের এক বন্ধু ইয়াসিরের আরেক কম্যান্ডার মুসাও সেখানে ছিল। আমদের বিশ্বাস ছিল যে, আমরা মৃতদেহের সনাক্ত করার সময় সেখানে ইয়াসিরের দেহ থাকবেই। কারণ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সে ওখানে উপস্থিত ছিল। ইয়াসির আর মুসা পাকিস্তানের আর বুরহান কাশ্মীরের বাসিন্দা।”

Back to top button
Close