নতুন খবরভারতবর্ষ

JNU তে স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি ভাঙার পর মামলা নিজের হাতে নিলেন অমিত শাহ! উপদ্রবী ছাত্রদের উপর নজর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের।

বামপন্থীদের নেতৃত্বে JNU তে ছাত্রদের উপদ্রব চরমে পৌঁছে গেছে। প্রথমদিকে হোস্টেল ফি বৃদ্ধি নিয়ে উপদ্রব, এরপর এক অধ্যাপিকার শোষণ, তৎপর স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি ভাঙার মতো ঘটনা ঘটে। JNU তে বামপন্থী ছাত্রদের উপদ্রবকে লক্ষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মামলা নিজেদের হাতে নিয়েছে। JNU তে স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি ভাঙার পর মামলা সীমা ছাড়িয়ে যায়। তাই এখন পুরো ঘটনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে দেখা হবে। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ HRD মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়ালের সাথে JNU ইস্যুতে কথা বলেন।

JNU

একই সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), HRD মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়ালের কাছে JNU এর পুরো রিপোর্ট চেয়েছেন। JNU তে শান্তি বজায় রাখা ও উপদ্রব বন্ধ করার বিষয়ে অন্যান্য মন্ত্রকের পরামর্শ চাওয়া হয়েছে। JNU তে হোস্টেল বেড পিছু ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করা হয়েছে। যার উপর JNU এর ছাত্ৰছাত্রীরা উপদ্রব শুরু করেছে। শান্তিপূর্ন প্রতিবাদ বা আন্দোলনের পথে না গিয়ে অশান্তি মূলক কাজ কর্ম করতে দেখা গেছে। উপদ্রব দমন করার জন্য দিল্লী পুলিশকে লাঠিচার্জ পর্যন্ত করতে হয়েছিল।

Ramesh Pokhriyal

বিগত দু সপ্তাহ ধরে JNU তে উপদ্রবের খবর সামনে আসছিল। প্ৰথমদিক রামমন্দিরের রায় নিয়ে কিছুজন অশান্তি ফেলানোর চেষ্টা করে। কিন্তু সেটাতে জনগণের সহানুভূতি পাওয়া যাবে না এই ভেবে টপিক পরিবর্তন হয়ে যায়। শেষেমেষ হোস্টেলের ফিস বৃদ্ধি নিয়ে উপদ্রব শুরু হয়। স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি পর্যন্ত ভেঙে দেওয়া হয়। যে মূর্তির উদ্বোধন পর্যন্ত করা হয়নি তা উপদ্রবকারীরা ভেঙে দেয়। যা নিয়ে দেশজুড়ে JNU এর ছাত্ররা দেশজুড়ে খুব সমালচিত হয়। বিজেপি সাংসদ শুভরামানিয়ান স্বামী JNU ইস্যুতে বলেন, ” এই ইউনিভার্সিটি ২ বছরের জন্য বন্ধ করে দেওয়া উচিত এবং ভালো ছাত্রদের অন্যত্র ট্রান্সফার করা উচিত।”

Amit Shah

জানিয়ে দি, JNU তে অবৈধ কাজকর্ম হওয়া নিত্য ঘটনায় পরিণত হয়েছে। শিক্ষার থেকে ড্রাগসের নেশার ব্যাবসা JNU তে বেশি চলে বলেও দাবি করা হয়। এমনকি দেশ বিরোধী শ্লোগানবাজির জন্যেও JNU খবরের শিরোনামে থাকে। বাক স্বাধীনতার নামে বামপন্থী ছাত্ররা দেশ বিরোধী শ্লোগান বাজি করে বলে অভিযোগ উঠে। ফলস্বরূপ বাস্তবে পড়াশোনা করতে আসা ভালো ছাত্রদের উপরেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। JNU এই গম্ভীরতাকেও লক্ষ করে অমিত শাহ পুরো বিষয়টি নিজের হাতে নিয়ে নিয়েছেন। এখন এটা বলাই বাহুল্য যে, অমিত শাহের হস্তক্ষেপ উপদ্রবকারী ছাত্রদের জন্য মোটেও শুভ সংকেত নয়। কাশ্মীর সমস্যার প্রায় সমাধান করার পর এবার অমিত শাহ উগ্র বামপন্থীর উপর লাঠি ঘুরিয়েছেন। নকশালবাদ, উর্বান নকশালবাদ ইত্যাদি নানা ইস্যুতে অমিত শাহ একশন নেওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন।

Related Articles

Back to top button