নতুন খবররাজনীতি

পুরো দেশ মগ্ন মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে! অমিত শাহ ব্যাস্ত মধ্যেপ্রদেশে সরকার গঠনের চেষ্টায়, শুরু ‘অপারেশন কমল’।

গোটা দেশের চোখ বর্তমানে মহারাষ্ট্রের রাজনীতির উপর তখন অমিত শাহের () নজর মধ্যেপ্রদেশের () উপর। মহারাষ্ট্রের পর এবার মধ্যেপ্রদেশে অপারেশন কমল শুরু হয়ে গেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এখন মহারাষ্ট্রের রাজনীতি সেই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচের মতোই উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যেখানে প্রতিটি বলই এখান থেকে সেখানে চলে যাচ্ছে। পুরো দেশ মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নিমগ্ন, তবে কিছু সময়ের মধ্যে মধ্য প্রদেশে রাজনীতির নতুন খেলা দেখার পরিস্থিতি উৎপন্ন হয়েছে। সিনিয়র কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন সাংসদ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার একটি পদক্ষেপ রাজনৈতিক কোন্দল সৃষ্টি করেছে। জানিয়ে দি যে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া () টুইটারে তার বায়ো পরিবর্তন করেছেন। এখন তাঁর বায়ো একজন সরকারী কর্মচারী এবং ক্রিকেটপ্রেমীতে পরিণত হয়েছে। এর আগে সিন্ধিয়ার টুইটার প্রোফাইলের বায়োতে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও প্রাক্তন এমপি লিখেছিলেন।

এখন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার টুইটার প্রোফাইল পরিবর্তন করা নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠছে যে তিনি কেন এমন করলেন? জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার টুইটার প্রোফাইলে কংগ্রেস দলের কোনও উল্লেখ নেই। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া যেভাবে হঠাৎ করে তার টুইটারের বায়ো পরিবর্তন করেছেন এবং নতুন বায়োতে কংগ্রেস শব্দের কথাও উল্লেখ করেননি। কেবলমাত্র সরকারী কর্মচারী এবং ক্রিকেটপ্রেমী লিখেছেন,এই প্রশ্নগুলি তাঁর কাছ থেকে উত্থিত হচ্ছে যে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এবং কংগ্রেস দলের মধ্যে সবকিছু কি ঠিক নেই? সিন্ধিয়া কি কংগ্রেসকে বিদায় জানাতে চলেছেন? যদি হ্যাঁ হয়, তবে মহারাষ্ট্রের ক্ষমতার যুদ্ধে অমিত শাহ অবশ্যই মাঠে নামবেন।

কারণ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার সাথে কংগ্রেসের ৩২ জন বিধায়ক ঘনিষ্ট রয়েছেন। যারা সিন্ধিয়ার নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করতে পিছুপা হননা।
সাম্প্রতিক সময়ে সিন্ধিয়ার এমন অনেক বক্তব্য এসেছে যার থেকে মনে হয়েছিল যে তাঁর এবং কংগ্রেস দলের মধ্যে সবকিছু ঠিক নেই। কমলনাথ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই সিন্ধিয়া পার্টিতে অস্বস্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন। সিন্ধিয়া তার নিজস্ব দলের কমলনাথ সরকারকে নানা ইস্যুতে সমালোচনা করেছিলেন। যা বিজেপিকে কমলনাথ সরকারকে আক্রমণ করার অনেক সুযোগ দিয়েছিল। এখন সিন্ধিয়া টুইটারের বায়োতে ​​যা করেছে তা মধ্য প্রদেশের রাজনীতিকে উত্তপ্ত করেছে।

সম্প্রতি সিন্ধিয়া মোদী সরকারের দ্বারা নেওয়া সমস্থ পদক্ষেপের প্রশংসাও করেছেন। এমনকি জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ এর ওপর মোদী সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন সিন্ধিয়া। খবর এটাও যে, বিগত ৪৮ ঘন্টায় মধ্যেপ্রদেশের ৩০ জন বিধায়ক এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি যদি বর্তমান রাজনীতির চাণক্য অমিত শাহের অনুকূল হয়, তবে মধ্যেপ্রদেশে পুনরায় শিবরাজ সিং চৌহানের সরকার গঠন হতে পারে। বিষয়টি এখনও অবধি অসম্ভব মনে হলেও, মহারাষ্ট্রের যেভাবে রাতারাতি সব পরিবর্তন হয়েছে সেটা মধ্যেপ্রদেশে হতেও দেরি লাগবে না।

Back to top button
Close