নতুন খবরভারতবর্ষ

এবার সমুদ্রের ভেতর থেকে বেরিয়ে শত্রুদের ধ্বংস করতে পারবে ভারতের ব্রহ্মাস্ত্র! ভারত মহাসাগরে চলবে না চীনের দাদাগিরি।

শাস্ত্রে বলা হয়েছে, শক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ পেতে হলে বায়ু ও জলের উপর নিয়ন্ত্রণ জরুরি। অন্যদিকে বর্তমান সামরিক বিশেষজ্ঞদের দাবি যে দেশ সমুদ্র ক্ষেত্রে বেশি শক্তিশালী সেই দেশকে যুদ্ধে ও কূটনীতিতে হারানো কঠিন। কারণ সমুদ্রের উপর কবজা থাকায় ওই দেশের কাছে বিকল্প বেশি থাকে।ভারত সম্ভবত এখন সেই পথেই এগোচ্ছে। বায়ুসেনা ও সামুদ্রিক বাহিনীকে শক্তিশালী করার উদ্যেশে সরকার একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে। শুক্রবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে কমিটি ২২ হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন করেছে। এই চুক্তিগুলি ভারতীয় সেনাবাহিনীকে আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে কমিটি অনুমোদিত 22,800 কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ভারত ডবল ইঞ্জিন যুক্ত হেলিকপ্টার সহ বেশকিছু সামরিক সরঞ্জাম কিনবে। আগে এই ধরনের বিমান আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে ছিল।

এবার সেই শক্তি ভারতের কাছেও চলে আসবে। এছাড়াও প্রতিরক্ষা খাতে আরো এক খবর সামনে আসছে যা শত্রু দেশগুলির ঘুম উড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। আবদুল কালামের নামানুসারে রাখা ব্যালিস্টিক K-4 মিসাইল () নামে পরিচিত, যা এখন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত। 2000 কিলো পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করে শত্রুকে ধ্বংসকারী এই ব্যালিস্টিক K-4 মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্রটি সাবমেরিন থেকে ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে। খুব শীঘ্রই বঙ্গোপসাগরে এই মিসাইলের পরীক্ষণ করা হবে বলে জানা গেছে।

কে 4 মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্রটি 12 মিটার দীর্ঘ এবং ওজন 17 টন। K 4 মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্র, যা 3500 কিলোমিটার দূরে আঘাত করেছে, দেশীয়ভাবে তৈরি করেছে ডিআরডিও। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির বিশেষত্ব হ’ল এটি রাডার এর মধ্যে সহজেই আসে না। কে 4 মিসাইলটির নাম রাখা হয়েছে ‘অগ্নি মিসাইল’। আবহাওয়ার পরিস্থিতির উপর লক্ষ রেখে এই মিসাইল পরীক্ষন করা হবে বলে জানা গেছে। এই মিসাইল সম্পূর্ণ দেশীয় যা দ্বারা নির্মিত।

k4 missile

এই মিসাইল পরীক্ষণ একবার সফল হলে ভারত মহাসাগরের নিজের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করা চীন সমস্যায় পড়বে। চীন আগামী ২০ বছরের মধ্যে নিজেকে বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী দেশ হিসেবে পস্তুত করার চেষ্টা করছে। যার জন এশিয়া মহাদেশে নিজের দাপট বজায় রাখার উপর জোর দিচ্ছে চীন। ভারতকে চাপে রাখার জন্য চীন সরকার পাকিস্তানকে ব্যাবহার করছে। তবে এই মিসাইল আসার পর মহাসাগরে চীনকে বড়ো ঝটকা দেবে ভারত।

Back to top button
Close