Press "Enter" to skip to content

কেরল কাণ্ডে নয়া মোড়, সন্ত্রাসীদের সাহায্য করতে আরব দেশ থেকে আনা হয়েছিল সোনা!

শেয়ার করুন -

নয়া দিল্লীঃ তিরুবনন্তপুরমে ধৃত UAE মহাবাণিজ্য দূতাবাসের ঠিকানায় কূটনৈতিক সামগ্রীর সাথে চোরাচালান করা ৩০ কেজি সোনার সাথে যুক্ত মামলায় NIA সন্ত্রাসবাদের সাথে যুক্ত ধারায় চারজনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় এফআইর দায়ের করেছে। শুক্রবার এই মামলা NIA এর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। NIA জানিয়েছে যে, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গেছে যে চোরাচালানে পাঠানো সোনার মুনাফা দিয়ে ভারতে সন্ত্রাসবাদীদের আর্থিক সাহায্য করা হতে পারত।

আধিকারিকরা জানান যে, চোরাচালানকারী সামগ্রী প্রথমে নিয়মিত বিমানেই নিয়ে আসা হত, কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে জারি লকডাউনের জন্য এই সামগ্রী চাটার্ড বিমানে নিয়ে আসা হয়। আর এরপরেই এই মামলা সামনে আসে। এফআইআর কড়া UAPA আইন অনুযায়ী দায়ের করা হয়েছে। এবং ভারতের আর্থিক সুরক্ষা আর মৌদ্রিক স্থিরতাকে বিপদে ফেলার জন্য সোনা চালানের মাধ্যমে টাকা জোটানোর ষড়যন্ত্র আর সন্ত্রাসবাদী আইন অনুযায়ী (conspiracy and commission of terrorist act), অপরাধকে সূচিবদ্ধ করা হয়েছে।

FIR-এ স্বপ্না সুরেশের (Swapna Suresh) সাথে সাথে আরও চারজন অভিযুক্তের নাম আছে। স্বপ্না কেরল সরকারের IT বিভাগে কাজ কোর্ট আর তাঁর আগে সে UAE এর বাণিজ্য দূতাবাসের কর্মচারী ছিল। পালিয়ে যাওয়ার ছয়দিন পর তাঁকে ব্যাঙ্গালুরুর একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এজেন্সি অনুযায়ী, গত রবিবার তিরুবনন্তপুরমে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ১৪.৮২ কোটি টাকার ২৪ ক্যারেটের ৩০ কিজে সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই অবৈধ সোনাকে UAE এর কূটনীতিবিদের সামগ্রীর সাথে পাঠানো হয়েছিল, যাতে কোনরকম তদন্ত ছাড়া এই সোনা এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে যেতে পারে। কিন্তু গোপন খবর পাওয়ার পর এই সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই সোনা নিয়ে আসার জন্য স্বপ্নার সঙ্গী সরিত বিমানবন্দরে গেছিল, তাঁকেও গ্রেফতার করে নেওয়া হয়েছে।

স্বপ্না সুরেশ আর একজন অন্য অভিযুক্ত সন্দীপ নায়েরকে রবিবার ব্যাঙ্গালুরু থেকে কেরলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সীমা শুল্ক বিভাগ এই মামলায় মপ্পুরমের এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করেছে। আর সীমা শুল্ক বিভাগের সুত্র জানিয়েছে যে, তাদের কাছ থেকে এই মামলায় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।