নতুন খবরবিশেষ

টেকনোলজির রাজা জাপানেও রয়েছে হিন্দু ধর্মের প্রভাব! মাতা লক্ষীর নাম রাখা হয়েছে এক শহরের নাম

আজকের দিনে দাঁড়িয়ে জাপান(Japan) বিশ্বের সবথেকে বিকশিত দেশগুলির মধ্যে অন্যতম একটা দেশ। যারা ওয়ার্ল্ড ও-য়ারে বড়ো ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার পরেও দারুনভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। টেকনোলজির রাজা নামে পরিচিত এই জাপানে হিন্দু সংস্কৃতির প্রতি যে সন্মান দেওয়া হয় তা বিশ্বজুড়ে প্রসিদ্ধ। আসলে প্রাচীন সময়ে যখন ভারতখন্ড সহ পুরো জম্বুদ্বীপ সনাতনী সভ্যতার অন্তর্গত ছিল তখন হিন্দুদের প্রভাব জাপানে ব্যাপক দেখা মেলে।

জাপানের উপর হিন্দু সংস্কৃতির প্রভাব এতটাই যে রাজধানী টোকিও এর কাছে এক শহরের নামও হিন্দু দেবীর নামে রাখা হয়েছে। ধন, সম্পত্তির দেবী মাতা লক্ষীর নামে জাপানে এক শহর রয়েছে যার নাম কিচিওজি (Kichijoji)। জানিয়ে দি, জাপানী ভাষায় কিচিওজি এর অর্থ মাতা লক্ষী বা লক্ষীর মন্দির।

জাপানি কূটনীতিবিদ তাকাযুকি কিতাগওয়া নিজের মুখেও কিছু সময় আগে ব্যাঙ্গালোরে এ কথা বলেছিলেন। উনি বলেছিলেন, “অনেকে মনে করে ভারত ও জাপানের সংস্কৃতি সম্পূর্ণ আলাদা। কিন্তু আমি বলতে চাই যে এটা ভুল তথ্য। জাপানে হিন্দু সভ্যতার প্রভাব দারুনভাবে বিরাজমান।”

উনি বলেছিলেন, জাপানে অনেক দেবদেবীর পূজা করা হয় যাদের নাম জাপানি ভাষা অনুযায়ী আলাদা কিন্তু মূলত সব দেবদেবী হিন্দু সভ্যতার। উনি বলেছেন, জাপানে হাজার হাজার বছর ধরে হিন্দু সভ্যতার প্রভাব রয়েছে যা অস্বীকার করা যায় না।

প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, জাপানে মা সরস্বতী, গণেশ, ইন্দ্রদেব ইত্যাদির পুজো হাজার বছর ধরে করা হয়।এমনকি এমনকিছু দেবদেবীর পুজো করা হয় যে সমস্ত দেবদেবীর পুজো ভারত থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ভারতের এক প্রাচীন ভাষা যা এখন ভারতে প্রচলিত নেই সেটাও জাপানের নানা মন্দিরের দেওয়ালে আজও বিরাজমান। জাপানে যে সমস্ত বিখ্যাত অ্যানিমেশন তৈরী হয় সেখানেও হিন্দু সভ্যতার প্রভাব দেখা মেলে। উদাহরণস্বরূপ, ড্রাগন বল জেড ( Dragon Ball Z) এ নানা চরিত্র, কাহিনী হিন্দুদের পৌরাণিক কাহিনীর উপর ভিত্তি করেই নির্মাণ করা হয়।

Back to top button
Close