India Rag Exclusiveবিশেষ

জিনপিংয়ের রাজত্বে হিন্দু ধর্মের জয়জয়কার! হু হু করে চীনে বাড়ছে কৃষ্ণভক্তের সংখ্যা

সনাতন ধর্মের অপার মহিমা! যুগে যুগে বিষ্ণুর অবতারগণ ধরাধামে অবতীর্ণ হয়ে অধর্মের বিনাশ করে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন। দ্বাপরযুগে শ্রীকৃষ্ণ কুরুক্ষেত্রের প্রান্তরে দাঁড়িয়ে অর্জুনকে শুনিয়েছিলেন গীতার সেই অমোঘ বাণী “যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত। অভ্যুত্থানমধর্মস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্॥ পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশয় চ দুষ্কৃতাং। ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে॥”

শ্রীকৃষ্ণের চরণে ঠাঁই করে নিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত অধিবাসীরা কৃষ্ণনামে মেতে উঠেছেন। আর সেই তালিকায় বাদ নেই কমিউনিস্ট শাসিত চীন‌ও‌।কমিউনিস্ট চীনের বাসিন্দারা জন্মাষ্টমী পালন থেকে শুরু করে বছরের বিভিন্ন সময়ে “হরে কৃষ্ণ” নাম গানে নিজেদের মাতিয়ে রেখেছেন। বেইজিং, সাংহাই, চেংদু, শেঞ্জেন, হারবিন এবং উহান প্রদেশেও এখন জন্মাষ্টমী পালিত হয়।

গৌড়িয় দাস হিসাবে নিজের পরিচয় দিয়ে একজন ভক্ত বলেছেন, “দোংগুয়ান মেলায় আমরা জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রার তিনটি মূর্তি স্থাপন করেছি এবং ৩০০০ প্যাকেট মিষ্টি বিতরণ করেছি।” তিনি আরও জানিয়েছেন, আয়োজকদের মধ্যে কয়েকজন ছিলেন আন্তর্জাতিক সোসাইটি ফর কৃষ্ণ চেতনা (ইসকন) গ্রুপের। তিনি একথাও বলেছেন, চীনারা ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি পছন্দ করে এবং তাই কৃষ্ণ এবং তাঁর বাণীগুলি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

ইয়াং বলেছেন, “আমরা যোগ অনুশীলনকে উৎসাহ দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম।সামাজিকভাবে বলতে গেলে আধ্যাত্মিকতা / ধর্ম হ’ল সমাজের কাঠামো এবং একটি কার্যকরী সমাজের জন্য আদর্শ সরবরাহ করে। সাংস্কৃতিক বিপ্লব অবসান হওয়া অবধি বহু দশক ধরে ধর্মীয় দমন করার পরে, চীন সমাজে আধ্যাত্মিকতা / ধর্মের স্বাভাবিক প্যাটার্নে ফিরে আসছে। সুতরাং, আমি ধর্মের একজন সমাজবিজ্ঞানী হিসাবে আসন্ন বছরগুলিতে চীনে আধ্যাত্মিক অনুসারী এবং ধর্মীয় বিশ্বাসীদের ক্রমাগত বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি।”

চীনের “নাস্তিকতা” সম্পর্কে তিনি বলেছেন, “গত তিন থেকে চার দশকে বহু ধর্ম পুনরুত্থিত হয়েছে এবং পরিবর্তিত হয়েছে। যদিও এখনও নাস্তিকতা চীনের কমিউনিস্ট পার্টির অফিশিয়াল গোঁড়ামিতে রয়েছে এবং স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে তার রমরমা রয়েছে তা সত্বেও “নাস্তিক চীন” বলা এখন আর সঠিক নয়। “তিনি বলেন, এমন সিপিসি আধিকারিকরা রয়েছেন যারা ধর্মের প্রতি আরও “উন্মুক্ত এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার সাংবিধানিক নীতি অনুসরণ করতে চান। তবে এ জাতীয় ব্যক্তিরা সংখ্যায় কম এবং সরকারী নীচু পদে আছেন। ”

Related Articles

Back to top button