নতুন খবরপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

বাজে মৃত্যুর থেকে প্রাণ বাঁচিয়েছিল দুটি ‘টেলিফোন”, ভয়াল স্মৃতির কথা মনে করালেন মুখ্যমন্ত্রী

ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জয়লাভ করতে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা বিধানসভা কেন্দ্র জুড়ে তিনি নিজের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। চারিদিকেই করছেন জনসভা। আর এই জনসভার মাধ্যমেই তিনি বিজেপির ক্ষতিকারক দিক এবং তৃণমূলের উপকারিতা মানুষের সামনে তুলে ধরছেন।

ভবানীপুরে প্রচারে গিয়ে তিনি সিপিএম আমলে ওনার সঙ্গে হওয়া অত্যাচারের কথাও তুলে ধরেছিলেন। পাশাপাশি নন্দীগ্রামের ভয়াল স্মৃতি উস্কে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, আমার গলাটাই কেটে যেতে পারত। তিনি বলেছিলেন, সেদিন কীভাবে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছিলেন তিনি। আর এবার আরও একটি ভয়াবহ স্মৃতির কথা জনগণের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

ভবানীপুরের ৭১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পুরনো স্মৃতির কথা তুলে ধরেন। মমতা বন্দ্যপাধ্যায় বলেন, ‘আমার মনে আছে একবার আমি কালীঘাটের বাড়ির অফিসে বসে আছি। হঠাৎ একটা বিদ্যুৎ এল আমি বসে আছি আমার ঠিক সামনে দুটো ফোন। বিদ্যুৎটা ঠিক ফোনের উপর দিয়ে চলে গেল সমস্ত কিছু অকেজো করে দিয়ে। বিদ্যুৎটা আমার উপর দিয়ে চলে গেল আমি মরে যেতাম। কিন্তু আমাকে বাঁচিয়ে দিল আর বিদ্যুৎটা টেলিফোনের উপর দিয়ে চলে গেল।”

এদিনের জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, ‘দুমাস আগে রোমের বিশ্ব শান্তি সভায় উপস্থিত থাকার জন্য আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বলা হয় জার্মান চ্যান্সেলর, হোলি পোপ, ইজিপ্টের ইমাম ও ইতালির প্রধানমন্ত্রীও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকদের জন্য নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, আমাকে যাওয়ার বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছিল’।

কেন্দ্রের উপর তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সেই চিঠি খারিজ করে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার বলে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর যাওয়াটা ঠিক হবে না। কিন্তু নিজেরা দেখুন এদিক ওদিক ঘুরছে। এই বিষয়ের সঙ্গে দেশের সম্মান জড়িত রয়েছে। আমি তো বিদেশে ঘুরতে যাচ্ছি না। পোপ খৃষ্ট্রান, ইজিপ্টের ইমাম মুসলিম, এবং জার্মান চান্সেলর খৃষ্ট্রান- সব ধর্মের লোক থাকবে সেখানে। হিন্দু ধর্ম নিয়ে এত বড়াই করেন, অথচ একজন হিন্দু মহিলাকে কেন সেখানে যেতে দিলেন না? হিংসে করেই আমাকে অনুমতি দেয়নি’।

Related Articles

Back to top button