Press "Enter" to skip to content

পশ্চিমবঙ্গে ধর্ষণ বৃদ্ধির জন্য জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে দায়ী করেছিলেন মমতা ব্যানার্জী! হাথরস কান্ড নিয়ে অন্য মত তৃণমূলের

শেয়ার করুন -

হাথরস কান্ড নিয়েকংগ্রেস থেকে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেস যোগী সরকারকে ঘেরার জন্য কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী হাথরসের উদ্যেশে যাত্রাও করেছিলেন। এছাড়াও তৃণমূলের কিছু নেতারাও হাথরসে নির্যাতিতার বাড়ি যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। যদিও উত্তরপ্রদেশ পুলিশ প্রশাসন তাদের আটকে দেয়।

শনিবার মমতা ব্যানার্জীর নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস হাথরস কান্ডের প্রতিবাদে মিছিল করেন। তবে তৃণমূল হাথরস নিয়ে মুখর হলেও পশ্চিমবঙ্গে হওয়া বিভিন্ন ধর্ষনকান্ডে তাদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। ২০১৩ সালে রাজ্যে বৃদ্ধি পাওয়া ধর্ষণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী যে পতিক্রিয়া দিয়েছিলেন তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠছে।

বিধানসভায় বিতর্ক চলাকালীন বিরোধীদের আক্রমন করে মমতা ব্যানার্জী বলেছিলেন, আপনারা বলছেন ধর্ষণ বাড়ছে কিন্তু রাজ্যের জনসংখ্যাও তো বাড়ছে। বিধান রায়ের আমলে পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা যা ছিল, এখন কি তাই আছে? শুধু এই নয় পার্কস্ট্রীটের ধর্ষনকান্ডকে মমতা ব্যানার্জী বলেছিলেন সাজানো ঘটনা। এখন ডেরেক ও’ব্রায়েনের মতো নেতারা হাথরসে ছুটে গেলেও তখন নির্যাতিতাদের পরিবারের পাশে এভাবে ব্যাকুল হয়ে দাঁড়াতে দেখা যায়নি তৃণমূল নেতাদের।

কামদুনি, কাটোয়ার মতো নৃশংস ঘটনায় একেবারে নিরব ছিল যে তৃণমূল নেতারা, তারাই এখন প্রতিবাদ করতে কেন উত্তরপ্রদেশ ছুটছেন তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। ২০১৮ সালে দক্ষিণ দিনাজপুরে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন দলিত যুবতী। সেই সময়ও চুপ ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে হাথরস নিয়ে ভিন্ন রাজ্যে প্রতিবাদ করতে পাঠিয়েছেন তৃণমূলের প্ৰতিনিধিদের। যারপর প্রশ্ন উঠছে যে এই সমস্তকিছু কি সত্যিই প্রতিবাদ নাকি শুধুমাত্র রাজনীতি।