নতুন খবরপশ্চিমবঙ্গ

CAB নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে কট্টরপন্থীদের উপদ্রব! উৎপাতকারীদের সামনে আইন-কানুন ব্যাবস্থা হলো পঙ্গু।

বিল পাশ হওয়ার পরেই দেশজুড়ে কট্টরপন্থীরা আরো একবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্ৰথমত জানিয়ে দি, বিল উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিল। কারোর নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার নিয়ে এতে কোনো কিছু বলা হয়নি। তা সত্ত্বেও কট্টরপন্থীরা দিকে দিকে বিরোধ দেখাতে, সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করতে ও অশান্তি ছড়াতে মাঠে নেমে পড়েছে। শুক্রুবার দুপুর থেকে বিলের প্রতিবাদ জানিয়ে ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় অশান্তি করতে নেমে পড়ে। দেশের নানা প্রান্তে এই উৎপাত চললেও সবথেকে বেশি ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে পশ্চিবঙ্গ (West Bengal)। যদিও প্রশাসনিক চাপে মিডিয়া সমস্ত ঘটনা জনগণের সম্মুখে তুলে ধরতে পারেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। তা সত্ত্বেও উলুবেড়িয়ার ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে।

উলুবেড়িয়ায় কট্টরপন্থীদের বিশাল ভিড় চলন্ত ট্রেনের উপর পাথর ছুঁড়ে আক্রমন করে। স্টেশনে কম্পিউটার ভাঙচুর, টাকা লুটপাটের মতো ঘটনাও ঘটেছে। লক্ষণীয় বিষয় এই যে, রাজ্যের আইন কানুন ব্যাবস্থা এই কট্টরপন্থীদের ভিড়ের সামনে পঙ্গুতে পরিণত হয়েছিল। কিছুদিন আগেই হায়দ্রাবাদে হওয়া এনকাউন্টার নিয়ে ের মুখ্যমন্ত্রী () বলেছিলেন পুলিশ নিজের হাতে আইন তুলে সঠিক কাজ করেনি। কিন্তু এখন কট্টরপন্থীদের সামনে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা কেন পঙ্গু হয়ে পড়েছে তা নিয়ে প্রশ্নঃ উঠেছে।

দূর পাল্লার নানা ট্রেনকে বাধ্য হয়ে দাঁড়িয়ে পড়তে হয়। ট্রেনের যাত্রীরা বলেছেন ঘটনার সময় ঘন্টার পর ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও কোনো রকম সাহায্য আসেনি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আক্রমন ও পাল্টা আক্রমনও শুরু হয়েছে। বিজেপি সমর্থকরা বলেছেন মমতা ব্যানার্জীর ভোট ব্যাঙ্ক বাঁচানোর জন্য অবৈধ বাংলাদেশিরা এমন উৎপাত চালাচ্ছে। রাজ্যেদ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, এই ঘটনা ১৯৪৬ সালের দা গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং এর কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।

দিলীপ ঘোষ বলেন, মমতা ব্যানার্জী দিঘায় মচ্ছব করতে ব্যাস্ত আর রাজ্যে আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে তৃণমূল সমর্থকরা এটাকে বিজেপির ষড়যন্ত্র বলে পাল্টা আক্রমন করেছে। তবে রাজনৈতিভাবে যে যাই বলুক, রাজ্যে সাধারণ মানুষের সুরক্ষা কে দেবে তার উপর বড়ো প্রশ্নচিন্হ এসেছে।

Back to top button
Close