নতুন খবররাজনীতি

নামাজের জন্য জেলে জায়গা দিতে হবে খুনি নেতা শাহাবুদ্দিনকে! আদালতে আবেদন করলেন কংগ্রেসী নেতা সালমান খুরশিদ।

রাষ্ট্রীয় জনতা দলের () প্রাক্তন সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সুপ্রিম কোর্টে একটি পিটিশন দায়ের করেছেন। যাতে সে জিজ্ঞাসা করয়েছে যে তাকে কেন নির্জনবাসে রাখা হয়েছে এবং তাকে কি সর্বদা নির্জনবাসেই রাখা হবে? এই আবেদনে মৌলিক সুযোগ-সুবিধাগুলির উদ্ধৃতি দিয়েও অভিযোগ করা হয়েছে যে কারাগারে নামাজ পড়া, ইত্যাদির মতো প্রাথমিক সুবিধাও সরবরাহ করা হয়নি। মামলার শুনানি চলাকালীন চিফ জাস্টিস এস এ ববদে, ন্যায় মূর্তি বিআর গাওয়াই এবং ন্যায় মূর্তি সূর্যকান্তের ব্যাচ সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতাকে বলেন যে ের আবেদনের উপর তদন্ত করতে । এছাড়াও, ব্যাচটি দুই সপ্তাহ পরে মামলাটিকে তালিকাভুক্ত করে দেয়।

এর আগে শাহাবুদ্দিনের পক্ষের সিনিয়র অ্যাডভোকেট তথা কংগ্রেস নেতা ব্যাচকে বলেছিলেন যে তার ক্লায়েন্টকে কারাগারের অভ্যন্তরে হাঁটতে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া উচিত। অন্য দিকে আদালতও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে তার(শাহাবুদ্দিন) থেকে কারুর বিপদ আছে কিনা বা তার উপর কোনো বিপদ আছে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া আদালতের কাজ নয়।

আসলে, শাহাবুদ্দিন গত বছর ৩০ আগস্ট দিল্লি হাইকোর্টেও এরকমই একটি আবেদন করেছিলেন। এতে RJD এর প্রাক্তন সাংসদ বলেছিলেন যে তিহার জেলে তাঁর সাথে যে আচরণ করা হয়েছে তাতে তিনি সন্তুষ্ট নন। তিনি আবেদনে এটিও উল্লেখ করেছিলেন যে তাঁকে একা অন্ধকার জেলে আটকে রাখা হয়েছে, সেখানে কেউ তাঁর সাথে কথাও বলে না। তিনি তার নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উত্থাপন করেছিলেন।

RJD প্রধান লালু যাদবের ঘনিষ্ঠ বলে ধারণা করা শাহাবুদ্দিনকে ২০১৭ সালে একটি অ্যাসিড আক্রমণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। শাহাবুদ্দিনের উপর সাংবাদিক রাজদেব রঞ্জন হত্যার অভিযোগও রয়েছে। শাহাবুদ্দিনকে সুপ্রিম কোর্ট 15 ফেব্রুয়ারি, 2018 এ সিওয়ান জেল থেকে তিহার জেল স্থানান্তর করার আদেশ দিয়েছে। বর্তমানে শাহাবুদ্দিনের উপর ৪৫টি অপরাধিক মামলা চলছে।

বিহারের ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার স্মৃতি এখনও 2004 সালের মতোই মানুষের মনে জীবন্ত রয়েছে। এটি ছিল এক ভয়াবহ ঘটনা, যা একটি হাসির সংসারকে ছাড়খার করেছিল। এই ভয়াবহ হত্যার সাথে জড়িত ছিল শাহাবুদ্দিনের নাম যা, তখন শিরোনামে থাকত। এই এসিড আক্রমণের কারণে শাহাবুদ্দিনকে কারাগারে যেতে হয়েছিল এবং সুপ্রিম কোর্ট তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখেছিল।

Back to top button
Close