নতুন খবরবিশেষভারতীয় সেনা

মর্মান্তিক: কাশ্মীরে মোতায়েন সৈনিকের মৃত্যুর পর ফাঁসি লাগিয়ে নিজের প্রাণ দিলেন স্ত্রী

দেশের একটা বড়ো অংশের মানুষ টিভি সিরিয়াল ও বলিউডকে নিয়ে এতটাই মেতে থাকে যে দেশের সৈনিকদের খোঁজ খবর রাখাটা প্রয়োজন বোধ করে না। অর্থাৎ যাদের ত্যাগের দরুন দেশের ভেতর নিশ্চিন্তে রাতের ঘুম হয়, মন দিয়ে ঘর সংসার করা যায় তাদেরকেই অবহেলা করে সমাজের একটা বড়ো অংশ। যা দেশের জন্য দুর্ভাগ্য ছাড়া অন্যকিছু নয়। এমনকি ভারত দেশের মিডিয়ার বেশিরভাগ ক্যামেরা এড়িয়ে চলে দেশের সৈনিকদের।

কার স্ত্রী পরকীয়া করেছে, কোনো অভিনেত্রী গর্ভবতী ইত্যাদি কোনো খবর প্রকাশিত করতে বাকি রাখে না ভারতীয় মিডিয়া। তবে সম্প্রতি উত্তরপ্ৰদেশ থেকে এক মর্মান্তিক খবর সামনে এসেছে যা প্রকাশিত করতে ভুলেই গেছে বেশিরভাগ মিডিয়া হাউস। আসলে সৈনিকদের সংক্রান্ত খবর অনেক ক্ষেত্রেই এড়িয়ে যেতে দেখা যায় মেইনস্ট্রিম মিডিয়াকে।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশের এক সন্তান যিনি জম্মু কাশ্মীরে মোতায়েন ছিলেন। অরবিন্দ নামের জওয়ান আত্মহত্যা করেছেন, আর এই খবর শুনেই তার স্ত্রীও ফাঁসি লাগিয়ে প্রাণ দেন। জানা গেছে অরবিন্দ এটা জেলার বাসিন্দা। অরবিন্দের আত্মহত্যার খবর শুনে স্ত্রী আরতি ফাঁসি লাগিয়ে নেন।

অরবিন্দ ও আরতির বিয়ে ২৯ শে জানুয়ারি ২০১৯ সালে হয়েছিল। বিয়ের এক মাস তার দুজনেই খুব সুখী ছিল। তবে ১ মাস পর থেকে পারিবারিক অশান্তি দেখা যায়। একদিকে দেশের সীমান্তের রক্ষার দায়িত্ব পালনে নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন অরবিন্দ। অন্যদিক পারিবারিক অশান্তি অশান্ত করে তুলেছিল তার হৃদয়। শেষমেষ আত্মহত্যা করে ফেলেন অরবিন্দ।

সৈনিক ক্যাম্পে তার শবদেহ দেখার পর ছড়িয়ে পড়ে শোকের ছায়া। শবদেহ বাড়িতে আনা হলে পরিবারের লোকজন বলেন যে মৃত ছেলের মুখ তার স্ত্রী দেখতে পাবে না। কারণ এই মৃত্যুর জন্য নাকি আরতি দায়ী। এই ঘটনার পর রীতিমতো ভেঙে পড়েন আরতি। শেষমেষ তিনিও নিজের শাড়ির দ্বারা ফাঁসি লাগিয়ে নিজের জীবন শেষ করেন।

Related Articles

Back to top button