Press "Enter" to skip to content

অশান্তি ফেলানোর পক্ষে মুসলিম ছাত্রদের উস্কানি দেওয়ায় সোনিয়া গান্ধীকে এক হাতে নিলেন নির্মলা সীতারমন!

শেয়ার করুন -

রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধী আরো একবার রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। সোনিয়া গান্ধী সম্প্রতি বিজেপি হিংসার জননী বলে সম্বোধন করেছেন। CAA নিয়ে মুসলিম ছাত্ররা দিল্লী ও উত্তরপ্রদেশে বিরোধ শুরু করেছে। দুই জায়গাতেই বিজেপি কঠোরভাবে উপদ্রবী ছাত্রদের দমন করেছে। মুসলিম ছাত্ররা যে হিংসা শুরু করেছে তাতে সোনিয়া গান্ধী উস্কানি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোনিয়া গান্ধীর এক মন্তব্যের বিপরীতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ (Nirmala Sitharaman) সোমবার বলেন যে কংগ্রেস সভাপতি রাজনৈতিক লাভের জন্য ‘কুমিরের অশ্রু’ বর্ষণ করছেন। একই সাথে নির্মলা সীতারমণ কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে (Sonia Gandhi) স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন যে ইন্দিরা গান্ধী সরকারের সময় ছাত্রদের তিহাড় জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছিল।

নির্মলা সীতারমন কেন ছাত্রদের সেই সময় জেলে বন্দি করা হয়েছিল তা নিয়ে সোনিয়া গান্ধী জবাব দিক। শুধু এই নয়, ১৯৮৪-এর শিখবিরোধী দাঙ্গার অপরাধীদের জন্য শাস্তি দেওয়ার জন্য কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? এ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নির্মলা সীতারমন। কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী বলেছিলেন, “বিজেপির নেতৃত্বাধীন সরকার তার ব্যর্থতাগুলি আড়াল করতে সাম্প্রদায়িক বিভেদ প্রচার করছে।” যুবক ও শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর দমন করার প্রয়াস প্রমাণ করছে যে মোদী সরকারের সমাপ্তি শুরু হয়েছে। ”নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে সোনিয়া গান্ধী বলেছিলেন যে সরকার তার নিজের দেশের লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে।

দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা CAA-এর বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল, এর পর বিক্ষোভ উগ্র হয়ে ওঠে এবং ছাত্ররা পুলিশকে পাথর দিয়ে আক্রমণ করে। এর পরে, মামলাটি শান্ত করার জন্য, পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে উগ্র ছাত্রদের বেধড়ক মারধর করে। কংগ্রেস বলেছিল যে এটি শিক্ষার্থীদের স্বাধীনতার উপর আক্রমণ। ছাত্রদের এমন উস্কানি দেওয়ার পরই নির্মলা সীতারমন সোনিয়া গান্ধীকে পাল্টা আক্রমন করেন।

CAB বিল পাশ হয়ে তা আইনে পরিণত হওয়ার পর এখন দেশজুড়ে বিতর্কের শেষ হচ্ছে না। CAB তে ধর্মের ভিত্তিতে ভেদাভেদ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দাবি করা হয়েছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আগত মুসলিমদেরও ভারতে নাগরিকত্ব দেওয়ার হোক। CAB তে পাকিস্তান , বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দু, শিখ, জৈন, খ্রিষ্টানদের ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। অর্থাৎ যারা ধার্মিক কারণে এই ইসলামিক দেশগুলিতে নিপীড়িত শোষিত তথা অত্যাচারিত তারা ভারতে নাগরিকত্ব পাবেন।