Press "Enter" to skip to content

কৌশানীকে দেখেই ‘জয় শ্রী রাম” ‘ভারত মাতা”র জয়ধ্বনি এক যুবতীর

শেয়ার করুন -

কৃষ্ণনগরঃ বঙ্গে ভোট অনেক আগেই শুরু হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে তিন দফায় ভোট ও হয়ে গেছে। আগামী ১০ এপ্রিল চতুর্থ দফার ভোট হবে রাজ্যের ৫ জেলার ৪৪টি আসনে। চতুর্থ দফার ভোটের জন্য নির্বাচনী প্রচারও শেষ হয়ে গেছে। এবার পঞ্চম দফার ভোটের প্রস্তুতি চলছে। প্রথম তিন দফায় রাজ্য জুড়ে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা সামনে এসেছে। তবে মোটের উপরে শান্তিতেই কেটেছে প্রথম তিন দফার নির্বাচন। আর চতুর্থ দফার আগে আরও কিছু কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।

ষষ্ঠ দফায় ২২ এপ্রিল ৪ জেলার ৪৩টি আসনে নির্বাচন হতে চলেছে। ওই দিন রাজ্যের আরেকটি হেভিওয়েট আসনে ভোট গ্রহণ হবে। কৃষ্ণনগর উত্তরের আসনটিকে হেভিওয়েট বলা হচ্ছে কারণ, ওই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি তথা রাজ্য রাজনীতির চাণক্য বলে খ্যাত মুকুল রায়। আরেকদিনে ওই আসনে তৃণমূলের তরফ থেকে প্রথমবার নির্বাচনের দাঁড়িয়েছেন অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়।

বিগত কিছুদিন ধরে কৌশানী বিতর্কের মধ্যে দিয়ে চলছে। পরপর দু’দিন ওনার দুটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর অনেক সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছে ওনাকে। যদিও কৌশানী প্রথম দিনের ভাইরাল ভিডিওটিকে বিজেপির ষড়যন্ত্র বলে আখ্যা দিয়েছেন। আর বলেছিলেন যে, বিজেপি নিজেদের স্বার্থে ভিডিওটি সম্পূর্ণ প্রকাশিত না করে কিছুটা অংশ প্রকাশিত করেছে। কৌশানী পরবর্তীতে ওই ভিডিওটি সম্পূর্ণ প্রকাশিত করে বিজেপিকে জবাবও দিয়েছিলেন।

এরপর কৌশানীর আরেকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, যেখানে ওনাকে মুকুল রায়ের নাম নিয়ে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা গিয়েছিল। দ্বিতীয় ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর মুকুল রায় বলেছিলেন, কৌশানী আমার প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে, কিন্তু ও আমার মেয়ের মতো তাই এই নিয়ে কিছু বলব না।

এবার কৌশানীর প্রচারের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে। যেখানে ওনার সামনে এক যুবতীকে চিৎকার করে ‘জয় শ্রী রাম” স্লোগান দিতে দেখা গিয়েছে। পাপিয়া কীর্তনিয়া নামের ওই যুবতী কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা আর তিনি কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রের ভোটার।

ভিডিওতে দেখা গিয়েছে যে, কৌশানী ব্যান্ড-বাজনার সঙ্গে পায়ে পায়ে প্রচারে বেরিয়েছেন। আর তখন ওই যুবতী কৌশানীকে দেখে ‘জয় শ্রী রাম” এবং ‘ভারত মাতা কি জয়” এর স্লোগান দিচ্ছেন। তৃণমূল প্রার্থী কৌশানী ওই যুবতীকে জবাব দিয়ে বলেন, আমরা জয় বাংলা বলি, জয় শ্রী রাম নয়। এরপর তিনি প্রচারের জন্য এগিয়ে যান। আর ওই যুবতী আবারও জয় শ্রী রাম ধ্বনি দেন।