Press "Enter" to skip to content

CAA নিয়ে বিরোধী দলের বৈঠকে আবারও ফাটল! মমতার পর এবার কেজরীবাল মায়াবতীও হাত ছাড়ল কংগ্রেসের

শেয়ার করুন -

সংশোধিত নাগরিকতা আইনের বিরুদ্ধে হওয়া প্রদর্শন আর হিংসার কথা মাথায় রেখে সোমবার বিরোধী দলের বৈঠক ডাকা হয়েছিল। শোনা যাচ্ছে যে, এই বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধী দল গুলো নাগরিকতা আইনের বিপক্ষে নিজেদের একতা দেখাতে চাইছিল। যদিও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী আর বহুজন সমাজ পার্টির সুপ্রিমো মায়াবতী এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন না। আরেকদিকে, দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবালের আম আদমি পার্টিও এই বৈঠক থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে।

মিডিয়াতে আসা খবর অনুযায়ী, কংগ্রেসের সাথে নিজেদের মতভেদ চলার কারণে বহুজন সমাজ পার্টি এই বৈঠক থেকে নিজেদের দূরে রেখেছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, কয়েকমাস আগে বিভিন্ন কারণে দুই দলের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি রাজস্থানে হওয়া শিশু মৃত্যু নিয়ে মায়াবতী কংগ্রেসের মহাসচিব প্রিয়াঙ্কা বঢড়াকে আক্রমণ করেছিলেন।

আরেকদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জী আগেই এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছে। সিএএ এর বিরুদ্ধে যখন বিরোধী দল গুলো রাষ্ট্রপতির কাছে গেছিলেন, তখনও মায়াবতী বিরোধী দলে অংশ নিয়েছিলেন না। যদিও এরপর বহুজন সমাজ পার্টি এই ইস্যুতে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সাথে সাক্ষাৎ করেছিল।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী অভিযোগ করে বলেছেন যে, কংগ্রেস আর বাম দল গুলো ঘৃণ্য রাজনীতি করছে। উনি বলেন, সংশোধিত নাগরিকতা আইন আর এনআরসি এর বিরুদ্ধে আমি একাই লড়ব। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় উনি ঘোষণা করেছিলেন যে, নাগরিকতা আইন আর জেএনইউ ক্যাম্পাসে হওয়া হিংসার বিরুদ্ধে কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী দ্বারা ১৩ই জানুয়ারি ডাকা বিরোধী দলের বৈঠকে তিনি উপস্থিত থাকবেন না। শোনা যাচ্ছে যে, এই বৈঠকে বিরোধীরা আরও জোরালো আন্দোলনের রুপরেখা তৈরি করতে পারে।