নতুন খবরভারতবর্ষ

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নবনিযুক্ত সভাপতি হলেন পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপ্ত ডাঃ রবীন্দ্র নারায়ণ সিং

বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ভারতের একটি হিন্দুত্ববাদী সামাজিক সংগঠন। এটি ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে বিশ্বের ১২৫টিরও বেশি দেশে এই সংঘঠনের কার্যক্রম চলমান। দলটি প্রথমে RSS-র শাখা হিসাবে যাত্রা শুরু করে।এর স্লোগান হলো “ধর্ম রক্ষতি রক্ষিতঃ” (धर्मो रक्षति रक्षितः), তথা যে ধৰ্মকে রক্ষা করে ধৰ্ম তাকে রক্ষা করে।

বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জন (orthopaedic surgeon) এবং পদ্মশ্রী পুরষ্কার প্রাপ্ত ডাঃ রবীন্দ্র নারায়ণ সিং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) নতুন সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন। ডাঃ সিং, যিনি বিহারের বাসিন্দা, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য তিনি ২০১০ সালে চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়েছিলেন।

অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রয়াত রাধা বল্লভ সিংয়ের পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ডাঃ সিং কাটিহার এবং পরবর্তীকালে পাটনায় তাঁর স্কুলজীবন শেষ করেন। ১৯৬৮ সালে পিএমসিএইচ থেকে এমবিবিএস শেষ করার পর তিনি এনএমসিএইচ-এ শিক্ষকের পদে চাকরি শুরু করেন। পরে, তিনি বিশেষ জ্ঞান অর্জনের জন্য লন্ডনে গিয়েছিলেন এবং ১৯৮১ সালে তাঁর বাবার আদেশে পুনরায় পাটনায় ফিরে আসেন।

মূলত সাহারসা জেলার গোলমা গ্রামের বাসিন্দা তিনি। সিংজী জনসাধারণের সেবা করার জন্য তাঁর গ্রামে একটি বেসরকারী হাসপাতাল চালু করেছেন। তিনি প্রতি সপ্তাহে দু’বার তাঁর নিজ গ্রামের হাসপাতাল পরিদর্শনে যান।ডাঃ সিং এডিনবার্গের রয়েল কলেজ অফ সার্জেনস এবং ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন একাডেমি অফ মেডিকেলের একজন বিশেষজ্ঞ। তিনি পাটনার অল ইন্ডিয়া মেডিকেল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট এথিক্স কমিটির সভাপতির দায়িত্ব‌ও পালন করেছেন।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈন সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন,”আমাদের ট্রাস্টি বোর্ড আজ সর্বসম্মতিক্রমে পদ্মশ্রী রবীন্দ্র নারায়ণ সিংকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত করেছে।”বিষ্ণু সদাশিব কোকজের জায়গায় ডঃ রবীন্দ্র নারায়ণ সিংকে জায়গা দেওয়া হল। সদাশিব কোকজ ২০১৮ সালের এপ্রিলে শীর্ষ পদে নির্বাচনের পর থেকে এতদিন পর্যন্ত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সভাপতির দায়ভার পালন করেছেন।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, “কোকজেজীর বয়স এখন ৮২ বছর। তিনি নিজেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব থেকে মুক্তি পেতে চেয়েছেন। তাঁর ইচ্ছা ও ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা করা হয়েছে।”

Related Articles

Back to top button