নতুন খবররাজনীতি

আসাদউদ্দিন ওয়াইসির মতে, JNU এর মুখোশধারীরা কাপুরুষ, কিন্তু জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখোশধারীরা বীরপুরুষ!

রবিবার ক্যাম্পাসে হওয়া সংঘর্ষ এবার রাজনৈতিক রুপ নিয়ে নিয়েছে। AIMIM প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি () তে হওয়া হিংসা নিয়ে বিজেপির সরকারের উপর চরম আক্রমণ করেন। ওয়েইসি এই হিংসার জন্য সোজাসুজি কেন্দ্রের মোদী সরকারকে দায়ী করেছেন। উনি বলেছেন, সরকার আর কতদিন গুণ্ডাদের সংরক্ষণ দেবেনে? ওয়েইসি প্রশ্ন করেছেন যে, কি করে মুখোশধারীরা ক্যাম্পাসে ঢুকল? আর পুলিশই কেন তাঁদের কন্ট্রোল করতে পারল না?

ওয়াইসি JNU ইস্যু নিয়ে বলেন, মুখ লুকিয়ে ভাঙচুর আর হিংসা ছড়ানো মানুষ কাপুরুষ হয়। আমি এই মামলার কড়া ভাষায় নিন্দা করছি। সরকারের উচিৎ JNU এর ছাত্রীদের আওয়াজ শোনা। উনি বলেন, এত বড় দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার হল ভারতের রাজধানীতে এমন নীচ কাজ করা হচ্ছে, আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেলেও পুলিশ কোন পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ।

উনি বলেন, মুখোশধারী মানুষেরা লাগাতার হোস্টেলে এরকম বাজে কাজ করে চলেছে। তাঁরা বিনা বাধায় দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত JNU চত্বরে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। কিন্তু সরকার কিছুই করেনি। হোস্টেলে বন্দি ছাত্র/ছাত্রীরা সাহায্যের আর্তি করছিল। কিন্তু সরকার কারোর আওয়াজ শোনেনি।

উনি বিজেপির উপর অভিযোগ করে বলেন, কতদিন বিজেপি গুণ্ডাদের সংরক্ষণ দেবে। দিল্লী পুলিশ কেন্দ্রের অধীনে কাজ করে। জামিয়ায় হওয়া হিংসা নিয়ে পুলিশ কোন শিক্ষা নেয়নি। সাধারণ মানুষকে ধরে মারা হয়। যারা পড়াশুনা করতে যায় তাঁদের ধরে মারা হয়।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, সম্প্রতি নাগরিক সংশোধন আইনের বিরুদ্ধে জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা রাস্তায় নেমে হিংসাত্মক প্রদর্শন করেছিল। পুলিশের গাড়ি, ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি সমেত বহু জন সাধারণের গাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ধ্বংস করা হয়েছিল সরকারি সম্পত্তি। গরিব মানুষের দোকানেও করা হয়েছিল লুঠপাট। তখন সমস্ত উপদ্রবিরা মুখে কাপড় বেঁধে এই কাজ করেছিল। কিন্তু ওয়াইসি সমেত কোন বিরোধী দলের নেতারা মুখোশধারীদের বিরুদ্ধে একটিও বাক্য খরচ করেন নি।

Back to top button
Close