আন্তর্জাতিকনতুন খবর

বাবর আজম আমাকে ১০ বছর ধর্ষণ করেছে, কোরান হাতে শপথ পাক অধিনায়কের বান্ধবীর

নয়া দিল্লিঃ বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার ভারতকে (India) হারাতে সক্ষম হয়েছে পাকিস্তান (Pakistan)। গোটা পাকিস্তান বর্তমান সময়ে বাবর আজমকে (Babar Azam) হিরোর আখ্যা দিচ্ছে। যদিও, বাবর আজম নিজের ব্যক্তিগত জীবনে অনেক কেচ্ছার সঙ্গে যুক্ত। নিজেকে বাবর আজমের বান্ধবী বলে দাবি করা হামিজা মুখতার নতুন একটি দাবি করে বাবর আজমের জয়ের আনন্দে জল ঢেলে দিয়েছেন।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ‘ডেলি পাকিস্তান”র রিপোর্ট অনুযায়ী, বাবরের বান্ধবী দাবি করেছেন যে, বাবর তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করেছে আর এখন বিয়ে করা থেকে পিছু হটছে। মহিলা আরও বলেন, সে বাবর আজমের সন্তান তাঁর পেটে ছিল।

সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, হামিজা বাবরের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের আদালতের দরজায় কড়া নেড়েছেন। তিনি বাবর আজমের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলাও দায়ের করেছেন। হামিজা এও অভিযোগ করেন যে, বাবরের পরিবার এই বিষয়টিকে ধামাচাপা দিতে তাঁকে ২০ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল। লাহোরের আদালতে বাবরের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেল আর প্রতারণার মামলা দায়ের থাকাকালীন হামিজা নতুন করে এই দাবি তুলে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন।

হামিজা অভিযোগ করে বলেন, বাবর তাঁর সঙ্গে যৌন অত্যাচার করেছে আর টাকা নিয়ে প্রতারণাও করেছে। হামিজা বলেন, বাবর আজমকে বিয়ে করার জন্য সে ২০১১ সালে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে আসে। এরপর তাঁরা লাহোরের অনেক জায়গায় তাঁরা একসঙ্গে ছিল। হামিজা বলেন, ১০ বছর আগে যখন আমাদের মধ্যে ভালোবাসা শুরু হয়েছিল, তখন আমরা দুজনেই নাবালক ছিলাম। হামিজা এই নিয়ে অনেক প্রমাণও পেশ করেছেন।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, হামিজা হাতে পবিত্র কোরান নিয়ে বলেছে যে, সে কোর্ট ম্যারেজ করার জন্য ২০১১ সালে বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছিল। হামিজা জানান, সেই সময় তাঁর পরিবার এই সম্পর্কে রাজি ছিল না। সেখান থেকে বাবর আমাকে তাঁর বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে যায়, সেখানে আমরা অনেকদিন একসঙ্গে কাটাই। হামিজা বলেন, আমি বাবরের সঙ্গে ঘর করার জন্য বাড়ি থেকে দুই লক্ষ টাকার গহনা চুরি করেছিলাম। আমি বাবরের জন্য আমার ১২ লক্ষ টাকার গাড়ি পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছি।

হামিজা বলেন, এত টাকা পাওয়ার পরেও বাবর আমাকে নিয়ে খুশি ছিল না। আর ও সবসময় আমার সঙ্গে ঝগড়া করত। বাবরের এমন আচরণের পর হামিজা পুলিশে বাবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। হামিজা বলেন, এত বছর পর্যন্ত বাবর আমাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে যৌন নির্যাতন করে গিয়েছে। হামিজা এও বলেন যে, আমি এখন বাবরের সন্তানের মা হতে চলেছিলাম, কিন্তু বাবরের চাপে আমি গর্ভপাত করাই।

Related Articles

Back to top button