Press "Enter" to skip to content

পাকিস্তানে হিন্দু মেয়ের ধর্ম পরিবর্তন করে মুসলিম যুবকের সাথে দেওয়া হলো নিকাহ!

শেয়ার করুন -

পাকিস্তানে (Pakistan) হিন্দু ও শিখ মেয়েদের অপহরণ করে তাদের ধৰ্ম পরিবর্তন করা, তৎপর তাদের মুসলিমদের সাথে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার ঘটনা নিত্য হয়ে উঠেছে। করাচির ডিফেন্স হাউজিং অথরিটি (DHA) এলাকা থেকে ১৩ ডিসেম্বর নিখোঁজ হওয়া মাহেক কেশওয়ানি নামে 22 বছর বয়সি কিশোরীকে নিয়ে একই রকম আশঙ্কা করা হচ্ছে। আশঙ্কা সেই সময় আরো জোর পেয়েছে যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় মাহেক কেশওয়ানি সংক্রান্ত একটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যে ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে একটা ভিডও সামনে এসেছে সেখানে মেয়েটি বলছে যে, সে ইসলাম কবুল করে নিয়েছে।

মাহেক কেশওয়ানি বলেছেন যে সে ইসলাম কবুল করে একজন মুসলিম যুবকের সাথে বিয়ে করেছে। মাহেক তার নতুন নাম রেখেছেন মাহেক ফাতিমা। ভিডিওতে মাহেক, যাকে তার কথিত স্বামী আশারের সাথে বসতে দেখা যায়, তিনি বলতে শোনা যায়, “আমি, মাহেক ফাতেমা তাদের নিজস্ব ইচ্ছার ইসলাম গ্রহণ করেছি এবং সহপাঠী মোহাম্মদ আশারকে বিয়ে করেছি। স্কুল থেকেই আমি ইসলাম দ্বারা প্রভাবিত ছিলাম। সময়ের সাথে সাথে ইসলামের প্রতি আমার আগ্রহ বৃদ্ধি পায় এবং আমি ইসলাম শিখতে শুরু করি। আমার পরিবার এটি পছন্দ করেনি। তারা আমাকে ইউনিভার্সিটি পাঠাতে রাজি হয়নি।”

মেয়েটি ভিডিওতে বলেছেন, ‘আমার মা বাবা আমাকে ভারতে নিয়ে গেছিল আর সেখানেই বিয়ে দিতে চেয়েছিল। আমার অসন্তোষ এর জন্য তারা আমাকে পাকিস্তানে ফেরত নিয়ে আসে। আর এখন আমি ইসলাম কবুল করে নিয়েছি এবং মোহাম্মদ আশারকে নিকাহ করে নিয়েছি।’ মাহেক কেশওয়ানি বলেছেন, ভারত থেকে ফিরে আসার পর হিন্দু সমাজের লোকজন তাকে নিয়ে মিথ্যা গুজব ও বাজে কথা বলতো। তাই তার বাবা মা তাকে বাড়ির বাইরে যেতে দিতেন না। বাবা, মা মাহেককে লন্ডন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু মাহেকের ভিসা কোনো কারণে আটকে যায়।

ফলে আমি পাকিস্তানে আটকে যায় এবং আমাকে প্রত্যেকদিন ভুল ভাল কমেন্ট শুনতে হতো। আমি বিরক্ত হয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। আমি দরগাহ বারচুন্দি শরীফে ইসলাম গ্রহণ করেছি। আমার পরিবারের সদস্যরা এখনও আমাকে ভারতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। তারা আমার পাসপোর্ট ভারতীয় হাই কমিশনেও জমা দিয়েছে, যাতে আমাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিরিয়ে আনা এবং ভারতে প্রেরণ করা যায়। ‘