Press "Enter" to skip to content

গডসেকে দেশভক্ত বলায় প্রজ্ঞা ঠাকুরকে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিলেন কংগ্রেস বিধায়ক! পাল্টা জবাব দিলেন সাধ্বী প্রজ্ঞা।

শেয়ার করুন -

মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধীর হত্যার এত বছর পরেও দেশ নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। আসলে অনেকে দাবি করে গান্ধীকে ইংরেজরা আফ্রিকা থেকে এনেছিল ভারতের আন্দোনগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতে। এর জন্যেই নাকি গান্ধীজি সমস্ত আন্দোন অর্ধেক হওয়ার পর বন্ধ করে দিতেন। অর্থাৎ দাবি অনুযায়ী গান্ধীজি ইংরেজদের ইশারায় কাজ করতেন। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বিরুদ্ধেও গান্ধীজি ষড়যন্ত্র করেছিলেন বলে অনেকে অভিযোগ তোলে।
তবে বেশিরভাগ জনতা এই দাবি অস্বীকার করেন। এমনকি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজেও গান্ধীজির প্রতি শ্রদ্ধশীল।

গান্ধীজির বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে প্রজ্ঞা ঠাকুরের (Pragya Singh Thakur) উপর, প্রধানমন্ত্রী মোদী রাগ প্রকাশ করেছিলেন। এখন আরো একবার গান্ধীজির হত্যাকারীকে দেশভক্ত বলে বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ। ভোপালের সাংসদ প্রজ্ঞা ঠাকুর লোকসভায় মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর খুনী নাথুরাম গডসেকে ‘দেশপ্রেমিক’ বলেছেন। এই বক্তব্য নিয়ে সংসদে প্রচণ্ড হৈচৈ হয়েছিল। যার পর থেকে খবরে রয়েছেন বিজেপি প্রজ্ঞা ঠাকুর। সম্প্রতি কংগ্রেস বিধায়ক গোবর্ধন দাঙ্গি বিজেপি সাংসদ প্রজ্ঞা ঠাকুরকে পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার মধ্য প্রদেশের কংগ্রেস বিধায়ক গোওবর্ধন ডাঙ্গী সাধ্বী প্রজ্ঞাকে কড়া ভাষায় আক্রমন করেছেন। কংগ্রেস বিধায়ক বলেছেন, এবার প্রজ্ঞা ঠাকুরের কুশপুতুল পোড়াবো না, ওকেই জীবন্ত জ্বালিয়ে দেব। প্রজ্ঞা ঠাকুর পাল্টা বলেছেন, “কংগ্রেস পার্টির কাছে হত্যা করার অনুভব আছে। ১৯৮৪ সালে বহু শিখকে কংগ্রেসিরা হত্যা করেছিল।ঠিক আছে আমি গোবর্ধন বাবুর বাড়ির সামনে আসবো, আমাকে পুড়িয়ে মারবেন।” কংগ্রেস বিধায়ক বলেন যে একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকীতে অনেক কর্মসূচি করেছিলেন এবং সারা দেশে শান্তির বার্তা দিয়েছেন।

অন্যদিকে, সংসদে বসে বিজেপি সাংসদ মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারকে দেশপ্রেমিক বলছেন, এটি দ্বৈত নীতি। ডাঙ্গি আরও বলেছিলেন যে প্রধানমন্ত্রী মোদী যদি সত্যই মহাত্মা গান্ধীকে বিশ্বাস করেন তবে তাঁর উচিত অবিলম্বে প্রজ্ঞা ঠাকুরকে পার্টি থেকে বের করা। গান্ধীর উপর গুলি চালানো গডসেকে দেশভক্ত বলায় বিজেপি সরকার প্রজ্ঞা ঠাকুরকে শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রজ্ঞা সিং ঠাকুরকে শীতকালীন অধিবেশনের বাকি অংশের জন্য সমস্ত সংসদীয় দলের বৈঠকে অংশ নিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।