নতুন খবরভারতবর্ষরাজনীতি

দেশ স্বাধীনের পর প্রথম কোনও ত্রিপুরাবাসী হলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, খুশিতে মাতোয়ারা গোটা রাজ্য

নয়া দিল্লীঃ এর আগেই ত্রিপুরায় ক্ষমতা দখল করে ইতিহাস গড়েছে বিজেপি সরকার। কেন্দ্রে ক্ষমতা ধরে রাখতে গেলে উত্তর-পূর্বের দিকেও যে নজর দেওয়া দরকার একথা ভালোই বুঝেছিল গেরুয়া শিবির। এই কারণেই কখনও আসাম, কখনও বাংলা কখনও বা ত্রিপুরা জয়ের জন্য মরিয়া ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তারা। বাংলায় সেভাবে স্বপ্ন পূরণ না হলেও স্বপ্ন পূরণ হয়েছে ত্রিপুরা এবং আসামে।

দীর্ঘ বাম সরকারের পতনের পর ত্রিপুরায় অবশেষে শূন্য থেকে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। আর তাই ত্রিপুরার দিকে স্বাভাবিকভাবেই আলাদা নজর ছিল প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi)। কেন্দ্রীয় তহবিলের টাকা থেকে শুরু করে, ত্রিপুরাকে আলাদাভাবে বারবারই নজরে রাখা হয়েছিল। এবার স্বাধীন ভারতে প্রথম বার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পাচ্ছে ত্রিপুরা। এর আগে রাজ্য ছিল বামেদের দখলে এবং কেন্দ্রে ছিল কংগ্রেস সরকার। যার জেরে কোন স্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পায়নি ত্রিপুরা। তার আগে অবশ্য কংগ্রেসের সরকার থাকলেও কোন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেওয়া হয়নি ত্রিপুরাকে। অবশেষে এতদিন পর স্বপ্ন সফল হল বলা যায়।

রাইসিনা হিলসের আজ সন্ধ্যায় শপথ নেবেন পশ্চিম ত্রিপুরার সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক (Pratima Bhowmik)। আর তারই হাত ধরে প্রথম কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পাবে ত্রিপুরা। দীর্ঘদিনের লড়াকু জীবন প্রতিমার। ত্রিপুরা যখন পুরোপুরিভাবে বামেদের দখলে তখনও দলের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই করে গিয়েছেন তিনি। গত বিধানসভা নির্বাচনে বাম শিবিরের কাছে পরাজিত হলেও ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিম ত্রিপুরা থেকে তাকে প্রার্থী করে বিজেপি। এবার অবশ্য পদ্ম শিবিরকে হতাশ করেননি প্রতিমা। আর তার পুরস্কার হিসেবেই এবার তাকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পদে বসালো বিজেপি।

এছাড়াও উত্তরপূর্ব ভারত থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পদে উন্নীত হয়েছেন একাধিক সাংসদ। এই তালিকায় রয়েছেন আসামের পূর্ব মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালও (Sarbananda Sonowal)। সুতরাং আগামী নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই যে উত্তর-পূর্ব ভারতে ছক সাজাচ্ছে বিজেপি তা বলাই বাহুল্য।

 

Related Articles

Back to top button