Press "Enter" to skip to content

ভারতের বড়ো কূটনৈতিক জয়! আমরা চীনকে দেওয়া হাম্বানটোটা বন্দর ফেরত নেব বললেন শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি।

শেয়ার করুন -

শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) রাষ্ট্রপতি গোটবায়া রাজাপাকসাকে (Gotabaya Rajapaksa) যখন শ্রীলঙ্কার নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন তখন ভারতের বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। উদ্বেগের কারণ ছিল গোটবায়া রাজাপাকসা চীনের দ্বারা প্রভাবিত বলে দাবি করা হতো। এ বিষয়ে গোটবায়া রাজাপাকসাও মুখ খুলেছিলেন এবং বলেছিলেন যে আমার সম্পর্কে ভারতের বিশেষজ্ঞরা সঠিক ধারণা রাখে না। গোটবায়া রাজাপাকসা বলেছেন তিনি ভারতের বিরুদ্ধে কোনো কাজ করবেন না এবং শ্রীলঙ্কাকে চীনের হাতের পুতুল হতে দেবেন না। জানিয়ে দি ভারতে যখন মনমোহন সিংয়ের সরকার ছিল তখন শ্রীলঙ্কা দু বার ভারতের কাছে সাহায্য চেয়েছিল। ভারত সেই সাহায্য করেনি, ফলে শ্রীলঙ্কা সেই সুযোগ নিজের স্বার্থে কাজে লাগিয়েছিল।

এরপর ধীরে ধীরে চীন শ্রীলঙ্কাকে নিজের লোন জালে ফাঁসিয়ে নিয়েছিল। এমনকি এইভাবেই চীন সরকার চীনের হাম্বানটোটা বন্দর (Hambantota port) ৯৯ বছর লিজে নিজেদের নামে করিয়ে নিয়েছে। চীনের এই জালে শ্রীলঙ্কা ফাঁসলেও এর সবথেকে খারাপ প্রভাব ভারতের সুরক্ষা উপর পড়েছিল। কিছুদিন আগেই গোটবায়া একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন যে তিনি ভারতের বিরুদ্ধে যাক এমন কোনও পদক্ষেপ নেবেন না। গোটাবায়ার এই মন্তব্য ভারতে ব্যাপকভাবে স্বাগত জানানো হয়েছে। এরপরে এখন গোটাবায়া বলেছেন যে তারা 99 বছরের জন্য চীনকে হাম্বানটোটা বন্দর দেওয়ার চুক্তির বিষয়ে পুনর্বিবেচনা করবে।

জানিয়ে দি ২০১৭সালের ডিসেম্বরে, তৎকালীন শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি মাইথ্রিপাল সিরিসেনা এবং প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রেমসিংহে চীনের ঋণের জালে আটকা পড়েছিলেন এবং 99 বছরের জন্য হাম্বানটোটার কাছে 15,000 একর জমি চীনের কাছে হস্তান্তর করেছিলেন। এই সময়, শ্রীলঙ্কা সরকার বলেছিল যে, আমরা বন্দরটি নির্মাণের সময় নেওয়া চীনা ঋণ শোধ করতে পারিনি, সুতরাং আর কোনও উপায় অবশিষ্ট ছিল না।

তবে, শ্রীলঙ্কা সরকারের এই পদক্ষেপ ভারত সরকারের উদ্বেগকে উত্থাপন করেছিল। এখন যদি গোতাবায়া প্রাক্তন শ্রীলঙ্কান সরকারের এই সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা করে এবং চীনকে দেওয়া হাম্বানটোটা বন্দরটি ফিরিয়ে নেয়, তবে তা কেবল শ্রীলঙ্কার সার্বভৌমত্বের পক্ষে নয়, ভারত তার কৌশলগত সুবিধাও পাবে।