অপরাধনতুন খবর

প্রিয়াঙ্কা রেড্ডির ধর্ষণকারী মহম্মদ পাশাকে পুড়িয়ে মারার দাবি জানালেন প্রিয়াঙ্কার মা! পরিবারের সমর্থনে এগিয়ে এলো সাধারণ মানুষ।

দেশকে উত্তাল করে দেওয়ার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনা হায়দ্রাবাদ থেকে সামনে এসেছে। মেইন স্ট্রিম মিডিয়া ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। আসলে, হায়দ্রাবাদের শাদনগরের আন্ডারপাসের নিকটে এক মহিলা চিকিৎসকের পোড়ানো লাশ পাওয়া গেছে। পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, ধর্ষণের পরে মহিলা ডাক্তারকে খুন করা হয়েছিল, এরপর পরিচয় গোপন করার জন্য লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি তদন্তের জন্য পুলিশ 10 টি দল গঠন করেছে। একদিকে যেমন পুলিশ এই মামলায় তদন্ত শুরু করেছে, অন্যদিকে দেশজুড়ে মানুষজন প্রতিবাদে মুখর হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ হেসট্যাগ চালিয়ে আক্রোশ প্রকাশ করছে, তো অনেকে পথে নেমে মোমবাতি মিছিলে যোগ দিচ্ছে।

পশু চিকিৎসক প্রিয়াঙ্কা রেড্ডি (Priyanka Reddy) কল্লুর ভেটেরিনারি হাসপাতালে কাজ করতেন। তিনি বুধবার (নভেম্বর 27, 2019) সেখানে গিয়েছিলেন। তিনি তার স্কুটি শাদনগরের টোল প্লাজা শামসাবাদের কাছে পার্ক করেছিলেন। রাতে ফেরার সময় উনি স্কুটির কাছে এসে দেখেন যে স্কুটির চাকা পাঞ্চার হয়ে রয়েছে। বাড়িতে ফোন করে প্রিয়াঙ্কা বলেন যে তার ভয় করছে। প্রিয়াঙ্কার বোন প্রিয়াঙ্কাকে পরামর্শ দিয়ে বলেন স্কুটি পার্কিং এ রেখে ক্যাব এর মাধ্যমে বাড়ি চলে আসতে। সেই সময় প্রিয়াঙ্কা বলেন তাকে কেও সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছে। তাই সে একটু পরে বাড়িতে ফোন করবে। এরপর আর বাড়িতে ফোন আসেনি।

এরপর পুলিশের কাছে মামলা দায়ের করা হলে, বৃহস্পতিবার দিন পুলিশ একটা পোড়া লাশ খুঁজে বের করে। যার গলায় হার দেখে নিশ্চিত হওয়া জসি যে এটাই প্রিয়াঙ্কা। লাশের কিছু দূরে এমন কিছু মেলে যা দেখে স্পষ্ট বোঝা যায় যে পুড়িয়ে ফেলার আগে প্রিয়াঙ্কাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। পলিশ কিছু ঘন্টার তদন্তের পরেই অপরাধীকে খুঁজে বের করে। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, মহম্মদ পাশা নামের ব্যাক্তি সাহায্যের আশ্বাস দিয়ে প্রিয়াঙ্কাকে নিজের বাড়ি নিয়ে গেছিল। সেখানে সে প্রিয়াঙ্কার ফোন কেড়ে নেয়। এরপর প্রিয়াঙ্কাকে মহম্মদ পাশা ও তার সাথীরা মিলে ধর্ষণ করে।

তৎপর প্রিয়াঙ্কাকে রাস্তার পাশে নিয়ে গিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেয় যাতে কেও প্রিয়াঙ্কাকে চিনতে না পারে। পুলিশ মহম্মদ পাশাকে গ্রেফতার করেছে এবং তার সাথীদেরও সন্ধানে নেমেছে পুলিশ। প্রিয়াঙ্কার পরিবারের অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানিয়েছেন। প্রিয়াঙ্কার মা বলেছেন অপরাধীদের যেন রাস্তায় পুড়িয়ে মারা হয়। ডঃ প্রিয়াঙ্কা রেড্ডির পরিবারের এই দাবিকে পুরোপুরিভাবে সমর্থন জানিয়েছেন নেটিজনরা।

Back to top button
Close