Press "Enter" to skip to content

দুর্নীতির শিকড়ে কুড়ুল মারলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! ইনকাম ট্যাক্স বিভাগের ২১ জন অফিসারকে দেওয়া হলো জোরপূর্বক অবসর।

শেয়ার করুন -

জনগণকে দেওয়া পতিশ্রুতি অনুযায়ী, নরেন্দ্র মোদী (Narendra modi) সরকার আরো একবার দুর্নীতি দমনে হাত ধুয়ে নেমে পড়েছে। মোদী সরকার দুর্নীতি দমনের জন্য ইন্সট্রুমেন্ট প্রস্তুতি উপরেও জোর দিয়েছে। অর্থাৎ দুর্নীতি দমনের জন্য কর্মরত অফিসারদের উপর কড়াভাবে নজর রাখা হচ্ছে। কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার দুর্নীতির অভিযোগে ইনকাম ট্যাক্স কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একশন অব্যাহত রেখে 21 কে জোর করে অবসর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সমস্ত কর্মকর্তা আয়কর বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। চলতি বছরের জুনের পর থেকে পঞ্চমবারের মতো সরকার দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে এবং তাদের বাধ্যতামূলক অবসর থেকে বরখাস্ত করেছে। এ বছর এ পর্যন্ত 85 জন কর্মকর্তা জোর করে অবসর দেওয়া হয়েছে। এর সাথে সরকার আবারও পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে দুর্নীতি ও অদক্ষতার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।

Narendra modi

জোর করে অবসরপ্রাপ্ত সমস্ত কর্মকর্তা গ্রুপ বি গ্রেডের। এটির সাথে এই বছর 85 জন কর্মকর্তাকে জোর্পূর্বক অবসর করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৪ জন ট্যাক্স কর্মকর্তা। এই বিধি অনুসারে গৃহীত ব্যবস্থা- কেন্দ্রীয় সিভিল সার্ভিস ১৯৭২ এর বিধি ৫৬ (J) অনুযায়ী সরকার ৩০ বছরের চাকরি সম্পন্ন অথবা ৫০ বছর বয়সে পৌঁছেছেন এমন কর্মকর্তাদের চাকরি বাতিল করতে পারে।

নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ এবং তিন মাসের বেতন এবং ভাতা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো যেতে পারে। প্রতি তৃতীয় মাসে এই ধরনের কর্মকর্তাদের কাজ পর্যালোচনা করা হয় এবং যদি তাদের উপর দুর্নীতির অভিযোগ বা অযোগ্যতা / অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায় তবে জোর করে অবসর দেওয়া যেতে পারে।
এই বিকল্পটি কয়েক দশক ধরে সরকারের কাছে রয়েছে তবে এখন পর্যন্ত এটি গুরুত্ব সহকারে নেওয়া হয়নি।

মোদী সরকারে, 2014, 2015 এবং 2017 সালে এই নিয়মটি গুরুত্ব সহকারে প্রয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই মেয়াদে সরকার এখন এটি কঠোরভাবে প্রয়োগের জন্য তত্পরতা করছে। এখন পর্যন্ত কেবলমাত্র গ্রুপ এ এবং বি অফিসাররা এই নিয়মের সাথে জড়িত ছিল, এখন গ্রুপ সি অফিসাররাও এর মধ্যে এসেছেন। কেন্দ্রীয় সরকার সব কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান থেকে এ বিষয়ে মাসিক রিপোর্ট চাওয়া শুরু করেছে। সরকারের মাধ্যমে এই ধরনের আধিকারিকদের বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া যেতে পারে। এটি করার পেছনে সরকারের উদ্দেশ্য হ’ল নন-পারফরম্যান্স সরকারী কর্মচারীকে অবসর দেওয়া।